‘নিম্নমানের’ শাড়ি পেয়ে নারীদের চুলোচুলি

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

নিউজ ডেস্ক: ভারতের তেলেঙ্গানায় ‘বটুকাম্মা’ উৎসব উপলক্ষে নারীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি বিতরণ করে রাজ্য সরকার। এই শাড়ি বিতরণকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে চুলোচুলি ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন নারীরা।

সোমবার শাড়ি নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা নারীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। অনেকেই শাড়িগুলো নিম্নমানের বলে অভিযোগ তোলেন।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুসেরার দিনে উদযাপিত হওয়া বটুকাম্মা উৎসব উপলক্ষে দরিদ্র নারীদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করা হয়। ৫০০ ধরনের নকশার শাড়ি বাছাই করেছিলেন রাজ্যের আমলারা। এ কর্মসূচিতে ব্যয় হয় প্রায় ২২২ কোটি রুপি।

উৎসবের উপহার হিসেবে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিতরণ করা হয় শাড়িগুলো। স্বল্পতম সময়ে সংগ্রহ করা হয় ওই শাড়িগুলো। তার অর্ধেক গুজরাটে ও বাকিগুলো রাজ্যের তাঁতশালাগুলোতে বিতরণের জন্য নেওয়া হয়।

গতকাল সকাল থেকে শাড়িগুলো বিতরণ শুরু করেন ক্ষমতাসীন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির (টিআরএস) নেতারা। এর পরই বিভিন্ন এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হয়। হায়দরাবাদের সাইদাবাদে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষায় থাকা নারীরা একে অপরের চুল ধরে টানাটানি ও মারামারি করেন।

নারীদের ওই চুলোচুলির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায়, একজন নারীর চুল টানছেন কয়েকজন নারী। তাঁদের কাউকে আবার অন্যরা গিয়ে মারধর করছেন। পুলিশের পোশাক পরা একজন নারী তাঁদের ছাড়াতে ব্যর্থ হয়ে সেখান থেকে চলে যান।

টুইটারে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাছের নিচে কয়েকজন নারী মারামারি করছেন এবং চুল ধরে টানছেন। পরে পুলিশের পোশাক পরা এক ব্যক্তি এসে তাঁদের ছাড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হচ্ছিল না। নারীরা মারামারি করেই যাচ্ছেন।

একাধিক নারীর বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, বিতরণ করা শাড়িগুলো খুবই নিম্নমানের। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে উপহাস করেন নারীরা। কেউ কেউ শাড়িও পুড়িয়ে দিয়েছেন।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »