দুর্গাপূজায় তিন দিনের সরকারি ছুটি দাবি

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: শারদীয় দুর্গা উৎসবকে আরও মর্যাদা দানের জন্য বঙ্গভবন, গণভবন, নগরভবন ও জেলা পর্যায়ের সরকারি ভবনগুলোতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। পাশাপাশি এই পূজা উপলক্ষে তিন দিন সরকারি ছুটির দাবি তোলা হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, পূজায় তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি দেশের সব কারাগারে উন্নত খাবার পরিবেশন, ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বাতিল করে হিন্দু ফাউন্ডেশন গঠন, উৎসব চলাকালে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলা পরীক্ষাসহ নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে। এ ছাড়া পূজার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে হবে।

পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে এবার ৩০ হাজার ৭৭টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। গতবার এই সংখ্যা ছিল ২৯ হাজার ৩৯৫। কিন্তু পূজার মণ্ডপ বাড়লেও নিরাপত্তা বাড়েনি। হিন্দুদের আতঙ্ক কমেনি। যার ফলে বাংলাদেশে পূজারির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ১৯৫১ সালে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ হিন্দু ছিল। ১৯৭৪ সালে কমে তা ১৪ শতাংশে এবং ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে হিন্দু জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে আট দশমিক ৪ শতাংশে। এ সর্বনাশা ধারা রুখতে না পারলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফলপ্রসূ হবে না। জয় হবে অসুর কূলের। তবে এবার পুলিশের মহাপরিদর্শক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সারা দেশের পূজা মণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন। সে আশ্বাসের জন্য মণ্ডপগুলোর উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশা জেগেছে।

পূজা উদযাপন পরিষদের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী এবার পূজা উদযাপন পরিষদকে দেড় কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। এ থেকে উৎসবের আয়োজনকে কিছুটা সংক্ষিপ্ত করে সারা দেশের আর্থিক দিক থেকে দুর্বল পূজামণ্ডপগুলোতে সাহায্য করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্য করা হবে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »