দুর্ভোগ লাঘবে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আবেদন

Feature Image

গৌরনদী (বরিশাল)ঃ  অবসর ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বিগত ১ জুলাই ২০০৮ ইং থেকে ২৪ জুন ২০১৫ ইং সময়ের মধ্যে অবসরে যাওয়া বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন কোম্পানী লিঃ (বিটিসিএল) এর বরিশাল অঞ্চলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ড বিটিটিবি থেকে বিটিসিএল’এ রুপান্তরিত সরকারি ওই কোম্পানীর অবসর ভোগীরা তাদের ভোগান্তি অবসানে ডিপার্টমেন্ট অব টেলি কমিউনিকেশনস্ (উড়ঃ) এর মাধ্যমে অবসর ভাতা পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

ভূক্তভোগীদের দেয়া বর্ননায় জানাগেছে, সরকারী ওই প্রতিষ্ঠানকে কোম্পানীতে রুপান্তরের উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিগত ২০০৮ সালের ১ জুলাই একটি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি)কে বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন কোম্পানী লিঃ (বিটিসিএল)এ রুপান্তর করা হয়। ওই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিটিসিএল কর্তৃক অর্থ বরাদ্ধ সাপেক্ষে বরিশাল বিভাগীয় হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কার্যালয় (ডিসিএ) প্রতিমাসে অবসর ভাতার চেক প্রদান করবে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে চেক প্রধান করার বিধান থাকলেও বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ যথা সময়ে অর্থ মঞ্জুরী না দেয়ায় অবসর গ্রহনকারী কর্মকর্তা কর্মচারীগন নিয়মিত ভাবে তাদের অবসর ভাতার চেক পাচ্ছেন না। কখনো কখনো ভাতা পেতে তাদের ৩/৪ মাস সময় লেগে যায়। মাসের ভাতা মাসে ঠিকমত না পাওয়ায় বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে পরিবার পরিজন নিয়ে তাদেরকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়।

জানাগেছে, গত জানুয়ারী ২০১৭ হতে এপ্রিল ২০১৭ পর্যন্ত এ চার মাসের ভাতা তারা একত্রে মে মাসে পেয়েছেন। ফলে এর মধ্যবর্তি সময়গুলোতে তাদেরকে অসহনীয় কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগন ২৫ জুন ২০১৫ ইং থেকে অবসর গ্রহন করেছেন এবং পরবর্তিতে যারা অবসবে যাবেন তারা ডিপার্টমেন্ট অব টেলি কমিউনিকেশনস্ (উড়ঃ) এর মাধ্যমে অতি সহজে ভাতা পেয়ে আসছেন ও পেতে থাকবেন। বিটিসিএল গঠন হওয়ার পূর্বে যারা অবসরে গেছেন তারাও তাদের বাড়ির নিকটবর্তি সাব পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে পেনশন ভাতাসহ যাবতীয় ভাতা পাচ্ছেন।

অথচ ১ জুলাই ২০০৮ ইং থেকে ২৪ জুন ২০১৫ ইং এর মধ্যে যারা অবসর গ্রহন করেছেন তারাই একমাত্র বরিশাল বিভাগীয় হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কার্যালয় (ডিসিএ) থেকে চেক গ্রহন করে নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টে জমা দেয়ার পরেও টাকা পাচ্ছেন। ব্যাংকে চেক জমা দেয়ার পরে টাকা পেতে তাদের আরও ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লেগে যায়। এ ছাড়া বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলা সদরের অফিসে চেক আনতে গিয়ে যাতায়াত বাবদ অতিরিক্ত নগদ অর্থ ও বাড়তি সময় ব্যায় ছাড়াও যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। ভূক্তভোগী ওই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগন তাদের এ দুর্ভোগ লাঘবে ডিপার্টমেন্ট অব টেলি কমিউনিকেশনস্ (উড়ঃ) এর মাধ্যমে নিজেদের অবসর ভাতা পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে সম্প্রতি একটি লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন।

আরো খবর »