স্কুলে যাওয়ার পথে বখাটেদের বেধড়ক মারধরের শিকার শিক্ষার্থী

Feature Image

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) থেকে মো.ইমরানঃ  কলাপাড়ায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার পথে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। তাকে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি. লাথি ও লাঠিপেটা করা হয়। লাঠিপেটার এক পর্যায়ে তাকে অচেতন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বখাটেরা। শনিবার সকাল আনুমানিক নয়টার সময় লোন্দা-নমরহাট সড়কের পুর্বলোন্দা গ্রাম সংলগ্ন সড়কে ফাতিমার ওপর এমন বর্বর হামলা চালানো হয়। খবর শুনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফাতিমাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়ায় নিয়ে আসেন।

ফাতিমা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্রতিদিনের মতো গীলাতলা গ্রাম থেকে দুই সহপাঠীকেসহ ধানখালী আশরাফ একাডেমী বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল ফাতিমা। পথিমধ্যে ঘটনাস্থলে পথরোধ করে রাহাত ও তার সহযোগী হাদী দেওয়ান, তাইজুল ইসলাম, আব্দুল মালেক ও সাইফুল ইসলাম অশোভন কথাবার্তা বলতে থাকে কুপ্রস্তাব দেয়। বখাটেপনা শুরু করে। এতে প্রতিবাদ করলে ফাতিমার ওপর হামলা চালায় রাহাত ও তার সহযোগিরা। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। ফাতিমার দুই সহপাঠী সুমনা ও জহিরুল এ অশোভন আচরন দেখে দৌড়ে গিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়।

 

এক পর্যায়ে ফাতিমা রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়ে। এসময় সটকে পড়ে রাহাত ও তার সহযোগিরা।
জানা গেছে, রাহাত এলাকার চিহ্নিত বখাটে। তার কয়েক সহযোগী স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্যক্ত করে আসছে। রাহাতের বাবার নাম জসিম খান। বাড়ি পশ্চিম লোন্দা গ্রামে। এ ঘটনায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আর আতঙ্ক বিরাজ করছে।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখ রঞ্জন তালুকদার জানান, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিচ্ছেন। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতীফ গাজী জানান, ভিকটিমকে কলাপাড়ায় নিয়ে আসতে বলেছি সরাসরি মামলা করা হবে।
কলাপাড়া থানার ওসি জিএম শাহনেওয়াজ জানান, প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরো খবর »