কুমারখালী পান্টি এলাকায় পল্লী বিদুৎতের লোডশেডিং চরমে

Feature Image

কু্ষ্টিয়া:  কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার পান্টি এলাকায় পল্লী বিদুৎ এর লোডশেডিং এতটাই চরমে যা সাধারন মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়াটা অসাভাবিক। সাধারন এলাকাবাসীর অভিযোগ রাত দিন ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৭ থেকে ৮ বার লোডশেডিং দেয় আমাদের এই পান্টি এলাকায়।

আর এক একবার লোডশেডিং দিয়ে থাকে দুই-তিন ঘন্টার উপরে আর বিদ্যুত থাকে ২৪ ঘন্টায় মাত্র ২-৩ ঘন্টা। এ ব্যাপারে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ওল্টু খান জানান, আমাদের পান্টি এলাকা প্রতন্ত্য একটি জন বহুল ও ব্যাবসায়ী মূখী এলাকা অথচ এখানে বিদুৎ থাকেই না মাঝে মাঝে আসে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, বর্তমান সরকারের যত উন্নয়ন তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো বিদ্যুত সেক্টরের উন্নয়ন।

কারন বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমাদের দেশ ৪৫০০ মেগাওয়াট থেকে এখন ১০,০০০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করে। এতবড় অর্জনের পরেও অতিরিক্ত লোডশেডিং এর কারনে সরকারের এই সাফল্য আজ প্রশ্নবিদ্ধ। পান্টি এলাকার সাধারন মানুষ বলছে, বিদ্যুত সেক্টরের কিছু অসাধু ব্যাক্তি কারসাজি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্যই এমনটি করছে। এলাকবাসি আরো বলছে, এখানে যেভাবে বিদুৎ এ লোডশেডিং দিয়ে থাকে আমাদের মনে হয় না বাংলাদেশের আর কোথাও এমন লোডশেটিং দেওয়া হয়। এভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলে সাধারন মানুষ অতিষ্ট্য ও ক্ষিপ্ত হয়ে যে কোন সময় পান্টি পল্লী বিদুৎ অফিস ঘেরাও করতে পারে।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে পান্টিতে সর্বচ্চো লোডশেডিং দিয়ে পরিবেশ শান্ত থাকায় কুষ্টিয়া পল্লী বিদুৎ সমিতি পান্টি পল্লী বিদুৎ শাখাকে পুরস্কৃত করে। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুত ৫ নং ইউনিট সস্তিপুর শাখার দায়ীত্বরত অফিসার তরিকুল ইসলামের মুঠো ফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ ব্যাপারে পান্টি এলাকাবাসী যথাযথ ভাবে কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

আরো খবর »