ভূমিহীন ও দুস্থ অসহায় মানুষের নয়নমণি শিখা সেনের কুমারখালী সফর

Feature Image

কুষ্টিয়াঃ  গতকাল দুপুরে দেড়টার দিকে নিজেরা করির প্রাক্তন আঞ্চলিক সমন্বয়ক সমাজমনষ্ক, পরোপকারী শিখা সেন সপরিবারে কুমারখালী আসেন। এই সময় লালন কাউন্টারে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান লালন পরিবহনের সিইও লিটন আব্বাস, উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক দীপু মালিক, বাংলাদেশ -ভারত সম্প্রীতি পরিষদের সম্পাদক নিতাই কুন্ডু,ভূমিহীন সংগঠনের মোতালেব সহ অনেকেই, সুজয় চাকী, বর্নমালা সংস্থার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, রায়হান, শামিম, হাসান জাহাঙ্গীর,শিমুল সহ অনেকেই। প্রিয় কুমারখালীতে ২১ বছর ধরে থেকে প্রান্তিক মানুষ এর অধিকার আদায়ের সংগ্রামী নারী শিখা সেন। একই সাথে কুমারখালীর মানুষের উন্নয়নে, সামাজিক-সাংষ্কৃতিক আন্দোলন অগ্রণী ভূমিকাও রেখেছিলেন এই মহতি মানুষ। সংগঠনের পাশাপাশি কুমারখালীর সকল সামাজিক সাংষ্কৃতি অনুষ্ঠানের প্রাঞ্জল উপস্থিতি এই নারী।

 

স্বেচ্ছায় চাকুরীেথেকে অবসর নিয়ে চট্টগ্রামে স্বামী সংসারে ফিরে গেলেও মন তার নিত্য পরে থাকে এই সংষ্কৃতি ও বিনোদন নগরী কুমারখালীতে। তাইতো বারে বারে ছুটে আসেন শত ব্যস্ততা সত্বেও। তাঁর স্বামী গৌতম সেনও একসময় নিজেরা করি’তে কাজ করতেন। তিনি এখন চট্টগ্রামে ব্যবসায় নিয়োজিত । তিনি সহ তাদের একমাত্র কন্যা অনন্যা সেনও এসেছে এই সফরে। লালন কাউন্টার থেকে অভ্যর্থনা শেষে ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাাতালে শিখা সেনের প্রাক্তন সহকর্মী সেখানে কাজ করায় তার সাথে দেখা করতে গেলে ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতালের পক্ষ থেকেও ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিস্টিমুখ করানো হয় এই সাদামনের মহতি মানুষকে। শুভেচ্ছা জানান ফ্যামিলি কেয়ারের এমডি সুজয় চাকী ও তাদের স্টাফবৃন্দ। পরে উষ্ণ গরমের ভেতের কুমারখালী শহরের প্রাণপ্রিয় গড়াই ইকো পার্ক পরিদর্শনে গেলে সেখানেও তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কুমারখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো: রফিক, কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম বাবু ও কাউন্সিলর আনিসুর রহমান আনিস।

পরে সন্ধ্যায় শিখা সেনের সম্মানার্থে ইতো পার্কে পাটি বিছিয়ে আলো আধারি পরিবেশের মধ্য দিয়ে সংগীতসন্ধ্যারও আয়োজন করেন পার্কের পিডিগণ। সংগীত পরবেশনাও ছিলো পুরোনো দিনের হারানোর দিনের সেইসব বিখ্যাত গানের কলি শুণে উপস্থিত পার্কের দর্শনার্থী ও শিখাসনে সহ সবাই মুগ্ধ হয়। সংগীথ পরেবেশন করেন জহিরুল ইসলাম, জহির, বাদ্যযন্ত্রে ছিলো ঐতিহ্যবাহী শীলন সাংষ্কৃতিক সংঘের মাকছেদুল হাসান রাসেল সহ তার দল।

 

স্রোতাদের মনোমুগ্ধকর গান শুনিয়ে মনহরন করেন পার্কের অন্যতম পিডিবোর্ডের সদস্য মাহবুবুল আলম বাবু। তার গানের সাথে নিতাই বাবুর নাচমুদ্রাও উপভোগ্য হয়। অনন্যা সেনের সূচনা সংগীতের মধ্যে দিয়ে ২ ঘন্টা ধরে চলে এই সংগীত সন্ধ্যা। হারমোনিয়াম ও ডুগিতবলার তালে তালে ভূমিহীণ সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ কুমারখালীর ইতিহাস নিয়ে গানও পরিবেশন করেন মোতালেবের নেতৃত্বে। শিখা সেনের প্রথম দিনের আগমন সূচিরা সত্যিই স্মরণীয় হয়ে রইলো।

আরো খবর »