সকলের দিদি শিখা সেনকে সাংষ্কৃতিক আসরে সম্মাননা জ্ঞাপন

Feature Image

একজন মানুষ সকলের কাছে সমান জনপ্রিয় ও সম্মানের হয় তা শিখা সেনকে দেখে বোঝা যায়। তিনি কাজ ছেড়েছেন দুবছর আগে। কিন্তু মানুষেরা তাকে আজো মনে রেখেছে। বিকালে পাখিদের পার্ক বড়ুরিয়া বাঁধে পরিদর্শনে গেলেন সবাই এবং সেখানে বড়রিয়ার কৃতিসন্তান সাহিত্যিক সোহেল আমিন বাবু ভাইয়ের বাসায় বরাবরের মতো পিঠাপ্যায়নে সকলকে সন্তুষ্ট করলেন এর সকল কৃতজ্ঞতা সোহেল ভাবীর প্রতি। তিনি পরম যত্নে কষ্ট করে পিঠা ও হালুয়া রেঁধে আপ্যায়ন করেছেন। পরে সন্ধ্যায় তাঁত বোর্ডে বেসিক সেন্টারে কবি মেহেদী হাসান টিটুর আমন্ত্রণে কাজপাগল মানুষ শিখা সেনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান উপস্থিত কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিকরা।

 

সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভূমিহীন সংগঠনের কর্মীরাও। মেহেদী হাসান টিটুর নতুন বই ”প্রবচন সম্ভার” তুলে দেন অনুষ্ঠানের মধ্যমনি শিখাসেন ও তার স্বামী গৌতমসেনকে দেন রোদনে ভিজে যায় কাব্যগ্রন্থটি। সাহিত্যিক, ছড়াকার সোহেল আমিন বাবু শিখা সেনকে উপহার দেন তার প্রকাশিত ”একুশ ও মুকিআতযুদ্ধের ছড়া” গ্রন্থটি। কবি মেহেদী হাসান টিটু একে একে উপহার দেন সোহেল আমিন বাবু, নাট্যকার লিটন আব্বাস, কবি সিদ্দিক প্রামণিক, কবি পারিমল ঘোষ, গীতিকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাংবাদিক দীপু মালিক, শরীফুল ইসলাম, কবি আব্দুর রাজ্জাক, আরকে জামান রিপন ও ভূমিহীন সংগঠনকেও একটি করে সদ্যষ ভূমিষ্ঠ গ্রন্থ ”প্রবচন সম্ভার” উপহার দেন।

 

পরে মুড়ি-চপ-চা খেতে খেতে খোলা আলোচনা চলে টানা দুঘন্টআরওে বেশি। সাংস্কৃতিক আড্ডায় একসময় উপস্থিত হন কুমারখালীর কৃতি সন্তান ধানবিজ্ঞানী শেরেবাংলা কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সরোয়ার হোসেন। তাঁর উপস্থিতিতে আড্ডা আরো প্রাণবন্ত হয়। এবং কৃষি বিয়ষ ও বয়নশিল্প নিয়ে বিস্তর আলোচনা করে ড. সরোয়ার হোসেনওে মেহেদী হাসান। সাহিত্যের বিয়ষ নিয়ে কথা বলেন লিটন আব্বাস, সিদ্দিক প্রামাণিক, সোহেল আমিন বাবু এবং শিখা সেনকে নিয়ে উপস্থিত সবাই কমবেশি কথা বলেন। শিখা সেনও তার ফিরতি কথায় আবেগআপ্লুত হয়ে একুশ বছরের কাজের প্রতি স্মৃতিচারণা করতে করতে চোখের জল মুছতে থাকেন যা সবাইকে আকৃষ্ট করে। পরিশেষে ভূমিহীন সংগঠনের কর্মীদের কুমারখালীর ইতিহাস নিয়ে জারীগান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। শেষের পর তাঁতবোর্ডের বয়নশিল্পও পরিদর্শন করেন সবাই।

আরো খবর »