ঈশ্বরদীর পরিশ্রমী তালেব পোল্ট্রি খামার করে আজ সফল

Feature Image

ঈশ্বরদী থেকে সেলিম আহমেদ : ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের মরহুম আবুল হোসেনের ছেলে ফুটবলার আবু তালেব জোয়াদ্দার পড়াশুনা শেষ করে অন্য কোন পেশায় না গিয়ে ঝুঁকে পড়েন পোল্ট্রি খামারের দিকে। পোল্ট্রি খামার করে মাত্র পাঁচ বছরে আজ তিনি সফল পোল্ট্রি খামারি। পোল্ট্রি খামারকে প্রসারিত করতে সব সময় কাজের মাঝে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পোল্ট্রি খামারের পাশাপাশি, মৎস্য চাষ, ডেইরি ফার্ম, ধান চাষ ও সবজি উৎপাদন খামার গড়ে তুলেছেন। এর পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এখন শুধু এগিয়ে চলেছেন সামনের দিকে।

তালেব জানান, ফুটবল খেলার পাশাপাশি ২০১২ সালে লেয়ার জাতের ৫০০টি মুরগি দিয়ে পোল্ট্রি খামার শুরু করেন। বর্তমানে তার খামারে ৫ হাজার মুরগি রয়েছে। প্রতিদিন তিনি খামার থেকে ৪ হাজার ৭’শ ডিম বিক্রি করে থাকেন। জোয়াদ্দার পোল্ট্রি খামারের স্বত্ত¡াধিকারি আবু তালেব জোয়াদ্দার আরও বলেন, মুরগির বিষ্ঠা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব একটি বায়োগ্যাস প্লান্ট করেছি তা থেকে পরিবারের রান্নার কাজ চলছে। এতে কিছুটা হলেও রান্নার কাজে দেশের গাছ, কাঠ বেঁচে যাচ্ছে। তিনি বেকারদের উদ্দেশ্যে বলেন, চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে হন্যে হয়ে না ছুটে পোল্ট্রি খামার করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়। তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের পোল্ট্রি খামার করার জন্য আহŸান জানান।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তফা জামান বলেন, আবু তালেব জোয়াদ্দার ফুটবল খেলার পাশাপাশি পোল্ট্রি খামার করে আজ তিনি সফল ও মডেল খামারি হিসেবে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তালেব পোল্ট্রি খামার করে কিছুটা হলেও দেশের মুরগি ও ডিমের চাহিদা পূরণ করছেন। সেই সাথে দেশের মানুষের পুষ্টির যোগানও দিচ্ছেন। জোয়াদ্দার পোল্ট্রি খামারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ভাবে সাজানো গোছানো। তালেব এভাবে তার পোল্ট্রি খামারের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারলে আগামিতে স্বর্ণ শিখরে পৌছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র। প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আমরা তাকে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করে চলেছি।

আরো খবর »