সর্বোচ্চ রান করেও ‘তৃষ্ণার্ত’ মুমিনুল

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ক্রীড়া ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের অতীত মোটেও ভালো নয়। চলমান টেস্টের আগে সাদা পোশাকে মোট ১০ বার প্রোটিয়াদের মুখোমুখি হয়েছে টাইগাররা। তবে কোনোটিতেই জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। দুটি টেস্ট ড্র হলেও তাতে বৃষ্টির আশীর্বাদ ছিল। বাকি আট টেস্টেই জয় পেয়েছে আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্টের ফলাফল আরো ভয়াবহ। চার টেস্টের সবকটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।

এমন চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে এবার সর্বোচ্চ দৌড়টাই দিয়েছেন মুশফিকরা। পচেফস্ট্রুমে ৩২০ রানই প্রোটিয়াদের মাঠে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইনিংস। ২০০২ সালে সাউথ আফ্রিকার ইস্ট লন্ডনে করা ২৫২ রান ছিল এতদিন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইনিংস। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চটা (৭৭ রান) এসেছে মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে। তাতেও রানের ক্ষুধা মেটেনি মুমিনুলের।

‘প্রথম দিন থেকেই উইকেট খুব ভালো ছিল। অনেকটা আমাদের দেশের উইকেটের মতো। ব্যাটিং করতে খুব ভালো লেগেছে। আমি যেমন আশা করেছিলাম, বলটা তেমন হয়নি। আমি হয়তো একটু বেশি টার্ন আশা করেছিলাম, সে কারণে (শট ঠিক) হয়নি। ইনিংসটা বড় করতে পারিনি। যদি দ্বিতীয় ইনিংসে সুযোগ পাই এই ভুল শোধরানোর চেষ্টা করব। আরও ভালো করার কথা ভাবছি।’

কেবল সর্বোচ্চ রান নয়, ৭৭ করার সুবাদে মুমিনুল গড়েছেন নতুন রেকর্ডও। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে এর আগে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৭১ রান। শনিবার সেটা টপকে গেলেন মুমিনুল। ২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৭৭ রান নিয়ে আউট হয়েছেন। তাতেই হয়ে যান নাম্বার ওয়ান।

২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে আল শাহরিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ১৫ বছর ধরে শাহরিয়ারের ওই সংগ্রহটা ছিল সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। তবে এই দুজন ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সাদা পোশাকে বাংলাদেশের হয়ে ফিফটি করেছেন জুনায়েদ সিদ্দিকী, হান্নান সরকার, মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

উল্লেখ্য, প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৯৬ রান বিপরীতে ৩২০ রান করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৫৪ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিন শেষ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর স্বাগতিকদের লিড গিয়ে দাঁড়াল ২৩০ রানে। ৩৭ রানে হাশিম আমলা এবং ৩ রান নিয়ে রবিবার চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন বাভুমা।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »