ভারতে বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে রৌমারী-রাজিবপুর প্লাবিত

Feature Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে মাজহারুল ইসলামঃ   কুড়িগ্রামের রৌমারীতে কয়েকদিনের টানা বর্ষন ও আশ্বিনেরর অকাল বন্যায় তলিয়ে গেছে রৌমারী –রাজিবপুরের প্রায় ৫/৭ হাজার হেক্টর রোপা আমন মরিচ,বেগুন,সাক সবজির ক্ষেতসহ কৃষকের বিভিন্ন জাতের ফসল। তবে কৃষকের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় হতাশায় নির্বাক হয়ে পড়েছে কৃষকরা। প্রথম দফা শ্রাবনের বন্যায় হাজার-হাজার একর রোপা আমনধান ও বীজ-তলা সম্পুন্য নষ্ট হয়ে যায়।

তার পড়েও থেমে থাকেনি কৃষকরা। অসময়ে হলেও নানা উপায়ে চারা সংগ্রহ করে রোপনের কাজ সম্পন্ন করেছেন। ধান নমল হলেও অল্পদিনে ফসলে ভরে উঠে মাঠ। কিন্ত বিধি-বাম, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হয়েছে সীমান্তঘেষা নি¤œাঞ্চল।

এতে তলিয়ে যায় দুই উপজেলার ৫/৭ হাজার হেক্টর রোপা আমন ও মরিচ-বেগুন-সাক সবজিরসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধীত হয়েছে। এ ব্যাপারে মির্জাপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস ছবুর, ইচাকুড়ির জহুল, তাহের বামনের চরের জিন্নাহ, কাসেম, লাঠিয়াল ডাঙ্গা বাগান বাড়ির মেগাদ আলী, বেকরী বিলের বারেক, খালেক। রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের শিবিরডাঙ্গী গ্রামের মরিচ চাষিরা হলেন। মোজাম্মেল হক, মুকুল হোসেন, নুর হোসেন, ফজল হক, আজগর আলী, আশ্রাফুল, ছাত্তার আলীসহ আরও অনেকেই তারা জানান, দফায়-দফায় তিনবারের বন্যায় আর চলার পথ রইল না। সঞ্চিত টাকা হালের বলদ, ধান, গহনা, সব কিছু নষ্ট করেও আমন ধানও মরিচ-বেগুন, সাক সবজি তিবার রোপনে শেষ করেছি।

সেটাও পাহারি ঢলের পানিতে নষ্ট হয়ে সর্বশান্ত হয়েছি। আগামী দিনগুলো পোলাপান নিয়ে কিভাবে চলব সেটাও খুজে পাচ্ছি না। এছাড়া পানি সরে যাওয়ার পর রবি শস্য চাষে ব্যাস্ত হতে হবে। সেটাই বা কিভাবে করব।

এ বিষয়ে রৌমারী কৃষি-সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রথম দফা বন্যার আগে রৌমারীতে প্রায় সারে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছিল। ওই বন্যায় প্রায় নি¤œাঞ্চলের ৮ হাজার হেক্টর ফসরের ক্ষতি সাধিত হয়েছিল। পরে আবার বানের পানি সরে যাওয়ার সাথে-নাথে ক্ষতি গ্রস্থ জমিতে কৃষকরা আবারো আমন ধান ও মরিচ-বেগুন,সাক সবজি রোপন করা হয়। এদিকে আবার কয়েকদিনের টানা বর্ষনে আবারো প্রায় ৫/৭ হাজার হেক্টর ফসলের ক্ষতি দেখা দিয়েছে।

আরো খবর »