পুলিশী মহানুভবতায় বৃদ্ধা মায়ের অপরেশন হলো

Feature Image

কুষ্টিয়া থেকে হুমায়ুন কবির: গরিব সমিউর এর মা’য়ের পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে। মায়ের চিকিৎসা বলে কথা। সামান্য সেলুনে কাজ করে ৭০ উদ্ধো মা’য়ের পিত্তথলির পাথর অপারেশানের টাকা যোগাড় করতে হবে। ডাক্তার বলেছে আগামী ১ মাসের মধ্যে পাথর অপসারন করতে হবে। কু্ষ্টিয়া খোকসা উপজেলার খোকসা বাজারে থানার পাশে ঝুপড়ী ছোট ঘর সমিউরের সেলুনের দোকান।

এলাকার লোকের চুলকাটা থেকে যে আসে তাদের চুল কেটে ও দাড়ি কেটে দেয়। যে টাকা পাই তাদিয়েই নিজের সংসার চালায় আর কিছু টাকা জমায় মায়ের চিকিৎসার জন্য।
এরই মাঝে মায়ের শরীরটা বেশ খারাপ হয়ে যায়। তাড়া হুড়া করে অমনি ডাক্দারের স্বরণাপন্ন। ডাক্তারের ইচ্ছায় অপারেশন করতে হবে। কিন্তু রক্ত লাগবে। কে দিবে মা’য়ের অপারেশানের রক্ত।
হঠাৎ সমিউর এর মাথায় আসল আমিতো থানা পুলিশের চুল কেটে দিই। হয়তো পুলিশ কে বললে রক্তের ব্যাবস্থা হবে।

অমনি ছুটেগেল থানায়, বিষয়টি খুলে বললেন থানা পুলিশ কে।
সহানুভবতায় এ এস আই রাসেল মিয়া ও কম্পিউটার অপারেটর কনেস্টেবল রাসেল মিয়া স্বপ্রনদিত হয়ে সমিউর এর মা’য়ের জন্য রক্ত দিতে রাজি হল। দ্রুত রক্তের সন্ধান পেয়ে সমিউর যে আকাশের চাঁদ হাতে পেল।

কথা না কাজ অমনি পুলিশের দু’হন ছুটে আসল খোকসা খেয়াঘাট বিশ্বাস ক্লিনিকে। এবার রক্তদেওয়ার পালা। দু’জনেই আগে রক্তদিতে চাই। অবশেষে দুই জনেই রক্ত দিয়ে বৃদ্ধ সমিউর এর মাকে অপারেশানের ব্যবস্থা করলেন।

এ ঘটনায় খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, পুলিশ যে জনগনের বন্ধু তা নিজের রক্তদিয়ে অন্য জনের জিবন বাঁচাতে ছুটে আসে এটাই তার প্রমান। পুলিশ জনগনের পাশে ভিতরে বাহিরে ও সর্বস্তরে ত্র প্রমান দিলেন আমার দুই জন সদস্য।
মহৎ উদ্দোগ রক্তদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এমনটাই আসা করি।
পুলিশের মহানুভবতায় খোকসা এলাকায় ব্যাপক সাড়া যুগিয়েছে।
উল্ল্যেখ্য মঙ্গলবার দুপুরে সমিউর এর মা’য়ের অপারেশান খোকসা বিশ্বাস ক্লিনিকে সম্পন্ন হয়েছে।

আরো খবর »