রাজশাহীতে নাটকিয় মৎস্য অভিযান: নিধন হচ্ছে মা ইলিশ

Feature Image

জেলা প্রতিনিধি, স্বাধীনবাংলা২৪.কম

রাজশাহী: মা ইলিশ নিধন বন্ধের লক্ষে ১ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত দেশ ব্যাপি মৎস অধীদপ্তর কর্তৃক অভিযান চলছে। কিন্ত রাজশাহী গোদাগাড়ী, পবা, চারঘাট এবং বাঘা উপজেলা মৎস অধীদপ্তরের অভিযান নাটকিয়তার অভিযোগ উঠেছে।

মা ইলিশ নিধন প্রতিরোধে আগামী ২২ অক্টবোর পর্যন্ত মৎস্য অভিযান চলবে। এবং মৎস্য অধীপ্তরের কম থাকার কারনে যথাযথ অভিযান করা সম্ভব হয় না। তদুপরি কিছু অসাদু জেলা সময় সুযোগ বুঝে মাছ শিকার করার চেষ্টা চলাচ্ছে বলে জানান, জেলা মৎস্য কর্মকর্ত সুভাষ চন্দ্র সাহা।

চারঘাট উপজেলার মৎস্য লাইসেন্স প্রাপ্তি জেলে ১১৭৫ জন, পুকুর ৪ হাজার ৮টি, এবং শাহাপুর থেকে রাওথা পযর্ন্ত প্রায় ১৭ কি:মি: পদ্মা নদী মৎস্য অধীদপ্তরের নিয়ন্ত্রে। কিন্ত  মা ইলিশ নিধন বন্ধের নিয়ন্ত্রন চারঘাট মৎস্য অধীদপ্তরের অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে। এ দপ্তরের দৈনন্দীন কার্য দিবস দিনের আলোর মত পরিস্কার। কিন্ত মা ইলিশ নিধন হচ্ছে বারংবার।

উপজেলা মুক্তারপুরের আলাউদ্দিন, নন্দনগাছীর সুমন, মনি, রিপন, মায়েনসহ আরো অনেক জেলে এবং মৎস্য চাষীরা জানান, মৎস্য অধীদপ্তরের অনিয়মের কারনে ধ্বংস হচ্ছে ইলিস মৎস্য উৎপাদন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর লিয়াজু মারফতে কিছু চাষিরা সুবিদা পাচ্ছে। তবে পদ্মা নদীর উপরে নির্ভরশীল লাইসেন্স প্রাপ্ত কিছু জেলে এবং সাধারনরা রাতের অন্ধকারে মা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ শিকার করছে। যারফলে ভাবিষ্যৎ জাতীয় ইলিস মাছ উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে।

এবিষয়ে মৎস সিনিয়র কর্মকর্তা সেলিম আক্তার বলেন, তাদের অভিযান তৎপরতা জোড়াল আছে। থানা পুলিশ অথবা বিজিবি সহযোগিতায় গভির রাতে মৎস্য দপ্তর কতৃর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, চারঘাট মডেল থানা ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের ধর্ম তবে মৎস্য রক্ষায় কেনা তা পালন হবে না। একইভাবে সীমান্ত রক্ষী বিওপি ক্যাম্প শাহাপুর, ইউসুপপুর, চারঘাট এবং গোপালপুর কমান্ডার বলেছেন দায়িত্ব পালনে সর্বদা তারা অটল।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »