লজ্জার রেকর্ডে বাংলাদেশ

Feature Image

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এসে একের পর এক বাজে রেকর্ড গড়ে চলছে মুশফিকুর রহিমের দল। প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। ১৭ বছরের টেস্ট ইতিহাসে মাত্র পাঁচবার এর চেয়ে কম রানে অলআউট হয় লাল-সবুজের দল। সেই টেস্টে ৩৩৩ রানের হারটিও ছিল একটি রেকর্ড। রানের বিচারে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ হার। দ্বিতীয় টেস্টেও বাংলাদেশের দুর্দশা চলছে। প্রথম ইনিংসে চারজন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান শতক করেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে চতুর্থবার এমন ঘটনা ঘটল, যেখানে একই ইনিংসে প্রতিপক্ষের চারজন বা তাঁর বেশি ব্যাটসম্যান শতক করেছেন।

ক্রিকেটের ইতিহাসে এই নিয়ে ২১ বারের মতো একই ইনিংসে চার বা তার বেশি সংখ্যক ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করার ঘটনা ঘটল। যার চারটিতেই জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। ব্লুমফন্টেইনে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন এইডেন মার্করাম, ডিন এলগার, হাশিম আমলা ও ফাফ দু প্লেসিস।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এর আগেও এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের চার বা পাঁচ ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে দুবার একই ইনিংসে পাঁচ ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেছেন। প্রথমটি ১৯৫৫ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ ব্যাটসম্যান শতকের মুখ দেখেছিলেন। দ্বিতীয়টি ঘটে ২০০১ সালে, মুলতানে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের পাঁচজন ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেন।

এবার নিয়ে তিনবার বাংলাদেশের বিপক্ষে একই ইনিংসে চারটি সেঞ্চুরির ঘটনা ঘটল। ২০০৭ সালের মে মাসে টাইগারদের বিপক্ষে ভারতের চার ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেন। সেই বছরই শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরাও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করেন। আজ ব্লুমফন্টেইনে আবার বাংলাদেশের বোলারদের লজ্জায় ডোবালেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। মার্করাম ১৪৩, এলগার ১১৩ রান করেছেন। এ ছাড়া হাশিম আমলা ১৩২ ও ফাফ ডু প্লেসি ১২০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত ৩ উইকেটে ৫৩০ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আমলা-দু প্লেসিরা যেভাবে খেলছেন তাতে করে রানটা কোথায় গিয়ে থামবে সেটা আন্দাজ করা কঠিন।

আরো খবর »