২ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়

Feature Image

মানিকগঞ্জ  থেকে জালাল উদ্দিন ভিকুঃ  মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অভিযোগ গত ২৪ ঘন্টায় শিবালয় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ৫৪ জন জেলেকে আটক করেছে। এছাড়া ২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। অপরদিকে দৌলতপুর মৎস্য অধিদপ্তর পৃথক ১৩ জন জেলেকে ইলিশ ধরার অভিযোগে আটক করেছে। পরে আটককৃতদের অর্থ জড়িমানা করা হয় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নুরতাজুল হক ও শিবালয় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো: রফিকুল আলম জানান, পদ্মা-যমুনা নদীতে সরকারী নিষেধ অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে ৫৪ জন জেলেকে আটক করা হয়।

পরে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কামাল মোহাম্মদ রাশেদ তার কাযালয়ে ভ্রাম্যআদালত বসিয়ে ৫৩ জনকে সাড়ে তিন হাজার টাকা ও একজনকে বিশেষ বিবেচনায় ১ হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করে ছেড়ে দেন।
অপর দিকে দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদী থেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অভিযোগে ১৩ জনকে আটক করে নিয়ে আসলে উপজেলঅ নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কানিজ ফাতেমা ১৩ জনকে বিভিন্ন অংকের অর্থ জরিমানা করেন।

উপেজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তসলিমা খাতুন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, আটককৃত জেলেদের মধ্যে আয়ুব আলীকে ২ হাজার টাকা, পলাশ মিয়াকে ২ হাজার টাকা, নাজমুল হাসানকে ২ হাজার, শাহ আলমকে ২ হাজার টাকা,আব্দুল কাদেরকে ১ হাজার টাকা, ওমর আলীকে ২ হাজার টাকা, আখের আলীকে ৫ হাজার টাকা, জাকির হোসেনকে ২ হাজার টাকা, শামীম আহমেদকে ২ হাজার টাকা, লতা মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, সবুজ কে ৫ হাজার টাকা, সোহেল মিয়াকে ১ হাজার টাকা ও ওহাব আলীকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

আটককৃতদের কাছ থেকে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৭০ কেজি ইলিশ মাছ জ্ব্দ করা হয়। পরে এসব মাছ স্থানীয় দুস্থ্য ও এতিমদের মাঝে বিতরন করা হয়।

 

 

জালাল উদ্দিন ভিকু

আরো খবর »