মঠবাড়ীয়া থানার ওসির উপর হত্যা মামলার আসমীদের সহযোগীদের হামলা

Feature Image

ব্যুরো প্রধান, স্বাধীনবাংলা২৪.কম

পিরোজপুর থেকে এস সমদ্দার: পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার  ধানীসাফা ইউনিয়নের তুষখালী লঞ্চঘাটে শনিবার সন্ধ্যারদিকে  একটি হত্যা মামলার আসামীদের সহযোগীদের হামলায় মঠবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জানাগেছে, ধানীসাফা ইউপি চেয়ারম্যান ও ধানীসাফা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো হারুনর রশিদ তালুকদারের নির্দেশে ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীগের সাধারন সম্পাদক ও একই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইদ্রিস তালুকদার ও তার সহযোগীরা  ধানীসাফার ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান তালুকদারকে গত ৩ সেপ্টেম্বর তুষখালী বাজার এলাকা থেকে তুলে নিয়ে  নিয়ে  নির্যাতন করে হত্যা করে।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে তুষখালী হাইস্কুলের টয়লেটের  সেপটি ট্যাংকের পাশ থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ হাবিবুর রহমান তালুকদারের লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় হাবিব তালুকদারের ছেলে হাফিজুর বাদী হয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা  মোঃ হারুনর রশীদ তালুকদার, ইদ্রিস তালুকদার সহ ১৭ জন নামীয় ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামাদের আসামীকরে থানায় মামলা দায়ের করে।

থানাসূত্রে জানাগেছে, শনিবার সকালে হাবিব তালুকদার হত্যা মামলার আসামী  হিমু তালুকদারের জামাই সলিম পঞ্চায়েতের সাথে নিহত হাবিব তালুকদারের পুত্র দুবাই প্রবাসী মানিক তালুকদার, টুকু তালুকদারের কথাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সলিম পঞ্চায়েতকে মারধর করে মানিক ও টুকু তালুকদার। এসময়ে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার তেলীখালী ইউনিয়নের হরিণপালা গ্রামের  সুমন নামের এক ব্যক্তি সলিম পঞ্চায়েতকে রক্ষা করতে গেলে মানিক ও টুকু তাদেরকে ধাওয়া করে।

নিহত হাবিব তালুকদারের ছেলে মানিক তালুকদার জানান, সন্ধ্যার দিকে সুমনের নেতৃত্বে ৭০ থেকে ৮০ জন লোক দেশীয় অ¯্রনিয়ে তুষখালী লঞ্চঘাট এলাকায় থাকা শ্রমিকলীগ কার্যালয় ও বেশ কয়েকটি বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল  আমিন সাংবাদিকদের জানান, হামলা  ভাংচুরের সময় ঘটনাস্থলে থাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করেন এবং দুজনকে আটক করে। এসময়  সুমন ও তার সহযোগীরা ওসি তারিকুল ইসলামকে জিআই পাইপদিয়ে আঘাত করে। পরিদর্শক তদন্ত বলেন, এ সময় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে  অভিযান চালিয়ে সুমন সহ ১২জনকে আটক করে।ওসি তদন্ত বলেন, পুলিশ কর্মকর্তার উপর হামলা ও সরকারী কাজে বাধাদানের অভিযোগে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »