লিটন-মাহমুদ উল্লাহর বিদায়ে আশার পরিসমাপ্তি

Feature Image

ক্রীড়া ডেস্ক : এই দুজন ছিলেন শেষ ব্যাটসম্যান যাদের ওপর নির্ভর করা যেত। লাঞ্চের পর দুজনে মিলে বেশ চেষ্টাও করেছিলেন। ৯২ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে ৪৩ রানের জুটি গড়েছিলেন। আগের ইনিংসের নায়ক লিটন দাসের আউটে ভাঙল এই জুটি। ১৮ রান করেই ফিলোকায়োর বলে বোল্ড হয়ে গেলেন তিনি। কিছু পরেই ৭ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো মাহমুদ উল্লাহর ৪৩ রানের ইনিংসটি শেষ হলো রাবাদার বলে এলগারের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়ে। ইনিংস হার থেকে বাঁচতে আরও ২৮৩ রান দরকার বাংলাদেশের। যে আশা কার্যত শেষ!

বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে আজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ফলোঅনে পড়া বাংলাদেশ। দলীয় ১৩ রানেই ওপেনার সৌম্য সরকার (৩) রাবাদার শিকার হন। বাজে শটে ফাফ ডু-প্লেসিসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। প্রথম ইনিংসেও দলীয় ১৩ রানেই আউট হয়েছিলেন সৌম্য।
এই তরুণ ওপেনারের উইকেট দিয়ে চলতি বছর প্রথম বোলার হিসেবে ৫০ উইকেট শিকার করলেন রাবাদা।

প্রথম ইনিংসের মতই দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ মুমিনুল হক। রাবাদার বলেই কেশব মহারাজের হাতে ধরা পড়ার আগে তার সংগ্রহ ১১ রান। এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন ইমরুল কায়েস এবং অধিনায়ক মুশফিক। কিন্তু ৩২ রান করে অলিভারের বলে ইমরুল ক্যাচ তুলে দিলে ভাঙে ৩৪ রানের জুটি। ব্যক্তিগত জীবনে ভায়রা ভাই মাহমুদ উল্লাহর সঙ্গেও জুটি গড়তে পারেননি মুশফিক। ব্যক্তিগত ২৬ রানে ফিরেছেন পারনেলের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪ উইকেটে ৫৭৩ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ধস নামে বাংলাদেশ শিবিরে। মাত্র ১ সেশনেই ১৪৭ রানে অল-আউট হয় সফরকারীরা। এরমধ্য উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাসই ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে ৭০ রান করেন। তা না হলে হয়তো একশর নিচে অলআউট হতো বাংলাদেশ। অনিবার্য পরিণতিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ফলোঅন করায় বাংলাদেশকে।

আরো খবর »