নির্দিষ্ট সময়ে বিজিএমইএ’র ভবন ভাঙা নিয়ে সংশয়  

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পের খালের ওপর নির্মিত বহুতল বিজিএমইএ ভবন আদালতের বেঁধে দেওয়া শেষ সময়ের মধ্যে ভাঙা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। রোববার হাতিরঝিলের বিষফোঁড়া খ্যাত বিজিএমইএ ভবনকে ভাঙতে সাত মাস সময় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে বিজিএমইএ বলছে, ওই সময়ের মধ্যে ভবন স্থানান্তর সম্ভব কি না বলা যাচ্ছে না।

কিন্তু বিজিএমইএর কাছে সময় আছে মাত্র ৬ মাস। কেননা আপিল বিভাগের বেঁধে দেওয়া ৭ মাসের সময়সীমা গণনা শুরু হবে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে। ওইদিন গণনা শুরুর কারণ হলো ওই ভবন ভাঙা সংক্রান্ত আদেশের রায় শেষ হয়েছে ১২ সেপ্টেম্বর। তবে মাত্র ৬ মাসেই এ ভবন সরানো সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ভবন স্থানান্তরে এরইমধ্যে রাজধানীর উত্তরার ১৭ নম্বরে জমি পেয়েছে বিজিএমইএ। কিন্তু এখনো ওই জায়গায় ভবনের নকশা তৈরি এবং ভবনের নকশার অনুমোদন পায়নি। ফলে বিজিএমইএ তাদের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে নতুন ভবন চালুর বিকল্প নেই। নতুন ভবন নির্মাণের আগে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা হলে তা পোশাক রফতানিখাতে প্রভাব ফেলবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, উত্তরার বরাদ্দ পাওয়া জায়গার দলিল আমরা হতে পেয়েছি। নকশা তৈরিতে কনসালটেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নকশা তৈরি হলে আমরা রাজউকের অনুমোদনের জন্য কাগজপত্র দাখিল করব। এরপর নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই সময় স্থানান্তর সম্ভব কিনা সেটা এখনি বলা যাবে না। আগামী ৪-৫ মাসে নতুন ভবনের কাজ কতটুকু অগ্রগতি হয়, তার ওপর নির্ভর করবে।

‘আমরা এখান থেকে চলে যাব এটা নিশ্চিত’ মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, তবে নতুন ভবন নির্মাণের আগে বর্তমান ভবন ভাঙা হলে রফতানিখাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিজিএমইএ- কর্তৃপক্ষের করা সময় আবেদন মঞ্জুর করে রোববার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সময় মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

আদালতে বেঁধে দেওয়া সময় গত ১২ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার পর ভবন অপসারণে আবারও একবছর সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। বিজিএমইএ’র পক্ষে করা ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ শেষবারের মতো সাত মাস সময় দেন।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »