প্রধান বিচারপতিকে সন্ত্রাসী কায়দায় ছুটিতে পাঠানো হয়েছে

Feature Image

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে সরকার সন্ত্রাসী কায়দায় ছুটি নিতে বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি দাবি করেছেন, একজন সুস্থ মানুষকে জোর করে অসুস্থ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত লেবার পার্টির প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রিজভী।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ‘এই সরকার দুর্বিনীত সরকার বলেই সুপ্রিম কোর্টের চিফ জাস্টিসকে সন্ত্রাসী কায়দায় ছুটি নিতে বাধ্য করেছে। এরা বেআইনি সরকার।

দুর্বিনীত সরকার, ডাকাতির সরকার। সেই কারণে একজন বহাল তবিয়তে সুস্থ মানুষ গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটিয়ে তিনি আবার আদালতে বসলেন। তার পরের দিন কীভাবে তাঁকে সরানো হলো? এটা কি বাংলাদেশের মানুষ জানে না? বাংলাদেশের মানুষ একেবারে আপনি তাঁদেরকে বেকুব মনে করেন, নির্বোধ মনে করেন যে কিছুই বুঝতে পারে না? কারা যাচ্ছে, কারা থ্রেট করছে, কারা জালিয়াতির ছুটি স্বাক্ষর করেছে সব বাংলাদেশের মানুষ জানে। এর প্রতিটি অপরাধ, প্রতিটি অপকর্ম, প্রতিটি বেআইনি কর্মকাণ্ডের হিসাব কড়ায় গণ্ডায় জনতার আদালতে নেওয়া হবে।’

সংবিধানে দেশের নাগরিকদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার দেওয়া হলেও এখন সেই অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘পুলিশের অনুমতির কথা কোথায় লেখা আছে? সংবিধানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে যে বাংলাদেশের নাগরিক তার চলাচলের স্বাধীনতা আছে। তার সমাবেশ করার স্বাধীনতা আছে। কথা বলার স্বাধীনতা আছে। এই সংবিধানকে লঙ্ঘন করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমরা না। আমরা যারা এখানে বসে আছি আমরা আইনের পক্ষে। আমরা সংবিধানের পক্ষে।’

লেবার পার্টির প্রতিনিধি সম্মেলনে দলটির চেয়ারম্যান ডা.মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেন, সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, সাধারন সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, লেবার পার্টির নগর সভাপতি আলাউদ্দিন আলী বক্তব্য দেন।

আরো খবর »