জনমনে আতংকের নাম পাট খড়ির গাঁদা

Feature Image

খোকসা থেকে বাদশা খানঃ  গত কয়েক মাস আগে পাট খড়ি থেকে পাটের সোনালী আঁশ সংগ্রহ হলেও পাট খড়ি রোডের দু’ পাশে গাঁদা অবস্থায় পড়ে রয়েছে ।
আর দিনের বেলায় যাই হোক না কেন রাতের বেলা জন মানব শুন্য এই পয়েন্টে পাট খড়ির গাঁদার ভিতর লুকিয়ে থেকে চলে ডাকাতি’র কাজ গুলো ।

বছরে মুসলমানদের দু’টি ঈদকে সামনে রেখে এখানে চলে এক সপ্তাহ ধরে গভীর রাতে ডাকাতি ।
এ ছাড়াও মাঝে মাঝেও ডাকাতি হয় ।এমনকি খোকসা বাজারে যারা ব্যবসা করে বাড়ী ফেরে তাদের উপর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য হামলা চালায় ।
রাতে মোটর সাইকেল আরোহীরা সহ সাধারণ যানবাহনের যাত্রীরা দ্রুত এই স্থান পার হওয়ার চেষ্টা করে থাকে ।

ঈদকে সামনে রেখে ঘটা করে প্রশাসনকে চৌকিতে বসানো হলেও ঈদ পরবর্তী তাদের আর দেখা যায় না ।
বিশেষ করে ধোকড়াকোল, তাহেরপুর, আমবাড়ীয়া , মহিষবাথান ,জয়ন্তীহাজরা উথলী, ভবানীগন্জ ,পূর্ব গোপাল পুর কালাইখাদি বৈরাগীপাড়া , কুঠিপাড়া রাধানগর ,ফুলবাড়ী , উত্তর শ্যামপুর, মামুদানীপুর সেনগ্রাম কালিতলা গ্রামের হাজার হাজার লোক প্রতিদিন দিন রাত এই রোডে খোকসা উপজেলা সদরে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য প্রায় ১১ কিলোমিটার পথ মারিয়ে যাতায়াত করে ।

খোকসা জানিপুর টু কালিতলা ভায়া রোডে মাসিলিয়া গ্রামের বড় বটগাছ থেকে শুরু করে প্রায় এক থেকে দের কিলোমিটার রাধানগর গ্রামের মজিবরের বাড়ী পযর্ন্ত রোডের দু’পাশে পাট খড়ির গাঁদায় পরিপুর্ন রয়েছে । যা ডাকাতদের রাতের বেলায় অভয়শ্রামে পরিনত করেছে ।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের আশু পদক্ষেপ কামনা করে অতি দ্রুত পাট খড়ির গাঁদা রোডের দু’পাশ থেকে সড়ানোর কাজটি করার জন্য এলাকার জনসাধারন দাবী তুলছে ।

আরো খবর »