খোকসায় ও.এম.এস-এ আতপ চাউল দেওয়ায় সরকারের মহৎ উদ্যোগ ভেস্তেগেছে

Feature Image

কুষ্টিয়া:  চাউলের উর্দ্ধোগতির লাগাম টেনে ধরতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে ও.এম.এস আকারে সারাদেশে চাউল বিক্রির অংশ হিসাবে গত ২০সেপ্টেম্বরে বেশ ঢাক ঢোল পিটিয়ে খোকসায় ও.এম.এস কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলার খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত ৩টি ও.এম.এস ডিলার পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন ৩মেঃ টন চাউল প্রতি কেজি ৩০টাকা করে জন প্রতি ৫কেজি ক্রয়ের সিদ্ধান্তে কার্যক্রম শুরু করে।

 

কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা নিয়ে উপজেলাবাসী ও.এম.এস চাউল ক্রয়ে লাইন দিয়ে চাউল সংগ্রহ করলেও সিদ্ধ চাউলের পরিবর্তে আতপ চাউল দেওয়ায় ক্রেতাগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান গত ২০সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর-১৭ পর্যন্ত ২৯মেঃটন চাউল ও.এম.এস ডিলারগণ উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে ৮মেঃটন সিদ্ধ চাউল ও ২১মেঃটন আতপ চাউল।

 

আমাদের্ এলাকার জনবসতীদের আতপ চাউল খাওয়ার প্রচলন না থাকায় ও সরকারী খাদ্য গুদামে সিদ্ধ চাউল সরবরাহ না থাকায় ও.এম.এস কার্যক্রম অনেকটাই থেমেগেছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ও.এম.এস ডিলারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে ও.এম.এস চাউল ক্রেতাদের আগ্রহ না থাকায় ও পূর্বে উত্তোলনকৃত ডিও (আতপ চাউল) অবিক্রিত অবস্থায় পরে থাকায় নতুন করে আর ডিও করা সম্ভব হচ্ছে না।

 

ফলে সরকারের মহতী উদ্যোগ ও.এম.এস কার্যক্রম অনেকটাই ভেস্তেগেছে। উপজেলা খাদ্য অফিসার আরও জানান একার্যক্রম আগামী মাসের ১৫তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর মাঝে সিদ্ধ চাউল আসলে উপজেলার ও.এম.এস ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে। আশার বাণীতে তিনি জানান সরকারের আরেকটি উদ্যোগ ১০টাকা কেজি চাউল বিক্রি শিঘ্রই শুরু হওয়ার সম্ভবনা আছে। উল্লেখ্য জেলা শহরে ও.এম.এস এর সিদ্ধ চাউল সরবরাহ করলেও উপজেলা পর্যায়ে খাদ্য গুদামে সিদ্ধ চাউল না থাকায় উপজেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত লোকেরা ও.এম.এস কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আরো খবর »