১১ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রকে ‘মেক গ্রেট অ্যাগেইন’ বলে স্বপ্ন দেখানো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বলি হলেন ১১ বাংলাদেশি। তাঁদের জোর করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার ভোরে ১১ জনকে আটক করে অ্যারিজোনার দুর্গম ডিপোর্টেশন কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশগামী বিশেষ ফ্লাইটে জোর করে তুলে দেওয়া হয়। ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি।

বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন সেলিম আহমেদ, মোজাম্মেল হক, করিম চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, বাবলু শরিফ, মোহাম্মদ বাদল রনি, মোহাম্মদ ফরিদুল মওলা, মনিরুল ইসলাম, নাসরিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আম্বিয়া ও খায়রুল আম্বিয়া।

সম্প্রতি ব্যাপক ধরপাকড়ে অ্যারিজোনার ফ্লোরেন্স কারেকশন সেন্টারে দুই নারীসহ ২৭ বাংলাদেশি ডিপোর্টেশনের পথে রয়েছেন বলে জানা গেছে। যেকোনো সময় তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত ব্যক্তিদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ দ্রুত পাসপোর্ট দিয়ে মার্কিন অভিবাসন বিভাগকে সহযোগিতা করেছে। এতে ভুক্তভোগী অভিবাসী ও তাঁদের পরিবার আইনের সাহায্য নেওয়ার আগেই বিতাড়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের আটক করার পর মার্কিন অভিবাসন বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্টদের পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কনস্যুলেট তাদের দেশের নাগরিক কি না, তা তদন্ত করে সময় নিলে ওই ব্যক্তির পক্ষে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, আনডকুমেন্টেড অভিবাসীদের তথ্যাদি চাওয়া মাত্র দ্রুত আইএস-কে (ইমিগ্রেশন সার্ভিস) দিতে বাংলাদেশ দূতাবাসকে সতর্ক করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিবাসীদের তথ্য জানাতে গড়িমসি করায় বাংলাদেশের নাগরিকদের বি-১ ভিসা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন বিভাগ এ–সংক্রান্ত হুঁশিয়ারি পত্র দূতাবাসে পাঠায়। এরপর থেকেই ভিসাপ্রক্রিয়া সচল রাখার স্বার্থে দূতাবাস দ্রুতগতিতে ট্রাভেলস ডকুমেন্ট ইমিগ্রেশন সার্ভিসের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »