ভেড়ামারায় ডাইনী খ্যাত বালা খাতুন গ্রেপ্তার

Feature Image

বিশেষ প্রতিনিধি : শিশু মাফিয়ার শরীরে ফুটন্ত পানি নিক্ষেপ করে দগ্ধ ও বিভৎস করে দেবার ঘটনায় ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলামের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত ডাইনী খ্যাত বালা খাতুন (৫০) স্বামীঃ মৃত জবান কারিগর, সাংঃ রামকৃষ্ণপুর, থানা-ভেড়ামারা জেলা কুষ্টিয়াকে গ্রেপ্তার করে ভিকটিম এর দাদা শামিম হোসেনের দায়েরকৃত মামলায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকাল ০৩.০০ টার দিকে নতুনহাট এলাকায় ঝগড়া -বিবাদ চলাকালীন সময়ে মাসুম এর ৪ বছর ৫ মাস বয়সী শিশু কন্যার শরীরে অঙ্গ বিকৃতি করার উদ্দেশ্যে উনুনে ফুটন্ত কড়াই এর পানি মাফিয়ার শরীরের সম্মুখে ভাগের অংশ লক্ষ্য করে ছুড়ে মারে বালা খাতুন। এতে মাফিয়া গুরুতর আহত হয় এবং তার পেট, বুক ও মুখমন্ডল ঝলসে বিকৃত হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই মাফিয়াকে ভেড়ামারা উপঃ স্বাঃ কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখানকার ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এই ঘটনার হিংস্রতার প্রতিবাদে ফেসবুক ও অনলাইন পত্রিকায় ঝড় ওঠে।

ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম দৈনিক বাংলাদেশ বার্তাকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে শিশু নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রুজুকৃত মামলার আসামী বালা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে নারী পুলিশের তত্বাবধানে প্রয়োজনীয় পুলিশ প্রহরাসহ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলা তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে ওসি আমিনুল ইসলাম জানান।

পূনশ্চঃ আমি নীতিগত কারনে ফেসবুকসহ গণমাধ্যমে বিভৎস ছবি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার চেষ্টা অবলম্বন করি। তাই আমার কৈফিয়ত নিম্নে দেয়া হ’লঃ

এতে করে বিভৎসতার করুন চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমাদের সীমাবদ্ধতার সৃষ্টি হবার পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। শুধু লেখনীর মাধ্যমে আজকাল ভয়াবহতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা যায় না। তাছাড়া জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, নারী ও শিশু আদালতে স্থির চিত্র, সচল চিত্র এগুলো সাক্ষ্য প্রামাণক হিসেবে গ্রহন করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাধারন আদালতে এইসব প্রামানক সকল ক্ষেত্রে আমলে নেন না আদালত। শিশু নির্যাতন বিষয়ের বিচার পদ্ধতিও ভিন্ন ও দ্রুততর।

আরো খবর »