দেবী কালী যদি পালিয়ে যায়!

Feature Image

তারা কখনই দেবীকে কাছ ছাড়া করতে চান না। এর জন্য একসময় তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হত মন্দিরে। এমনকী বিসর্জনের পর যাতে গ্রাম ছেড়ে চলে না যান, তার জন্য দিন-রাত পুকুর পাড়ে পাহারা দেন ভক্তরা। এমনই সর্বধর্ম সমন্বয়কারী কালীকে দেখতে ভিড় জমে বীরভূমের সাঁইথিয়ার বাঘডোলা গ্রামে।

এখানে কালীর মূর্তি বলতে শুধু গলা থেকে মুখটুকু। ৩ খণ্ড নিমকাঠ দিয়ে বংশ পরম্পরায় যা তৈরি করেন সাঁইথিয়ার পাথাই গ্রামের সূত্রধরেরা। মন্দিরের পিছনে ‘কালী’ গড়ে বিসর্জন দেওয়া হয় মূর্তি।

 

সেখানেই দড়ি দিয়ে, শিকলে বেঁধে পুকুরের জলের ভিতর বেঁধে ডুবিয়ে রাখাই নিয়ম। বর্তমান পূজারি দেবাংশীরা বলেন, পরের দিন পুকুর থেকে কালীর অবয়ব না তোলা পর্যন্ত শান্তি থাকে না। কেন যেন সবাই মনে করেন কালীকে বেঁধে না রাখলে তিনি হয়তো চলে যেতে পারেন। গ্রামবাসীরা জানান, আগে সারা বছর কালীকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত। চার পুরুষ আগে পুজো পদ্ধতির পরিবর্তনের পর আর শিকল দিয়ে বাঁধা হয় না, ভক্তির বন্ধনে তিনি বাঁধা পড়েন।

আরো খবর »