এদের আত্মীয়-স্বজনকে খুঁজছে পুলিশ

Feature Image

সাত বছরের রাকিব রাস্তার ওপর কান্না করছিলো। নয় বছরের রত্না এক বাসায় কাজ করতো, সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়। সাত বছরের সুশান্তকে গভীর রাতে রাস্তায় পাওয়া যায়। এদেরকে রাজধানী ঢাকার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এখানে ষাট বছরের এক দাদির সঙ্গে তিন বছরের নাতনীও আছে। আছে চৌদ্দ বছরের সুমাইয়া, এগারো বছরের মিম ও ফারিয়া।

ডিএমপি নিউজে উল্লেখিত ভিকটিমদের পরিচিতি তুলে ধরে বলা হয়েছে, এদের আত্মীয়-স্বজনকে খুঁজছে পুলিশ। সমাজের কোনও স্ব-হৃদয়বান ব্যক্তি যদি উল্লেখিত ভিকটিমদের ঠিকানা বা আত্মীয় স্বজনের খোঁজ জেনে থাকেন তাহলে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল। ডিউটি অফিসার-মোবাইল নং-০১৭৪৫-৭৭৪৪৮৭, টেলিফোন নম্বর-০২-৯১১০৮৫।

নাম- রত্না (০৯)
পিতা- মৃত সাইফুল
মাতা-মৃত নার্গিস
সাং- অজ্ঞাত
থানা -অজ্ঞাত
জেলা-খুলনা

উক্ত ভিকটিমকে গত-০৭/১০/১৭ইং তারিখ রাত অনুঃ ০৭.৩০ ঘটিকার সময় টেকপাড়া মানিকদিয়া এলাকা হইতে উদ্ধার করে অত্র থানায় নিয়ে আসে থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় ঢাকায় এক বাসায় কাজ করত তারা সে বাসা থেকে বের করে দেয় ভিকটিমের ঢাকায় কোন নিকট আত্মীয় স্বজন না থাকায় নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- উজ্জল শ্যামলা
উচ্চতাঃ ৪ ফুট ৩ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ সাদা কালো রংএর কামিজ কালো ওড়না কালো সেলোয়ার ।

নাম- মোসাঃ সুমাইয়া (১৪)
পিতা-শাহ জাহান
মাতা- জুলেখা খাতুন
সাং- চাঁদগ্রাম
থানা -ভেড়ামারা
জেলা-কুষ্টিয়া

উক্ত ভিকটিম এক বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করত গত-১০/১০/১৭ইং তারিখ বাসার মালিক জনৈক জামাল তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া বিবাদ করে তার স্ত্রী ও ভিকটিমকে বাসা থেকে বের করে দেয় উক্ত ভিকটিম ডিউটিরত আনসার সদস্যদের নিকট আশ্রয় নেয়। আনসার সদস্যগণ ভিকটিমকে বিমান বন্দর থানায় হস্তান্তর করে। অত্র থানার এক্সরে-৯৪ এর ডিউটিরত এএসআই (নিঃ)/ মোঃ আঃ গফুর মিয়াকে কাওলা এলাকায় প্রেরণ করা হইলে জনৈক জামাল ও তার স্ত্রীকে খুঁজে না পাওয়ায় এবং বাসা তালাবদ্ধ থাকায় ভিকটিমকে হেফাজতে নেওয়া সম্ভব হয় নাই বিধায় ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে উপরোক্ত ঠিকানা প্রকাশ এবং ঢাকায় কোন নিকট আত্মীয় স্বজন না থাকায় থানা পুলিশ নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- শ্যাম বর্ণ
উচ্চতাঃ ৪ ফুট ১ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ লাল হলুদ প্রিন্টের জামা সেলোয়ার ওড়না।

নাম- মোঃ রাকিব (০৭)
পিতা-অজ্ঞাত
মাতা- অজ্ঞাত
সাং- অজ্ঞাত
থানা -অজ্ঞাত
জেলা-অজ্ঞাত।

উক্ত ভিকটিমকে গত-০৮/১০/১৭ইং তারিখ সকাল অনুঃ ০৮.৩০ ঘটিকার সময় পথচারী লোকজন যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় রাস্তার উপর কান্নাকাটি করতে দেখে অত্র থানায় হস্তান্তর করে থানা পুলিশ ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক ঠিকানা বলতে না পারায় নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- কালো
উচ্চতাঃ ৩ ফুট ২ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ চেক শার্ট ।

নাম- সুশান্ত (০৭)
পিতা-সিশান
মাতা- অজ্ঞাত
সাং- অজ্ঞাত
থানা -অজ্ঞাত
জেলা-সুনামগঞ্জ।

উক্ত ভিকটিমকে এএসআই (সঃ)/৬৫৪৭ মোঃ আবু হানিফ প্ররক্ষা বিভাগ ডিএমপি ঢাকা নিরাপত্তা গার্ড বঙ্গভবনে কর্মরত গত-০৮/১০/১৭ইং তারিখ কর্মস্থল হইতে বাসায় যাওয়ার সময় রাত অনুঃ ২০.০০ ঘটিকার সময় অত্র থানাধীন অভিসার সিনেমা হলের সামনে ভিকটিমকে রাস্তায় অভিভাবকহীন অবস্থায় দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক ঠিকানা বলতে না পারায় অত্র থানায় হস্তান্তর করে। থানা পুলিশ নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- কালো
উচ্চতাঃ ৪ ফুট ১ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ লাল কালো চেক র্শাট নীচে নীল গেঞ্জি, হাফ প্যান্ট।

নাম- সাদিয়া আক্তার মিম (১১)
পিতা-আব্দুল গফুর
মাতা- সাহিদা
সাং- সোনাতুন্দী
থানা – মাগুড়া
জেলা-মাগুড়া

উক্ত ভিকটিমকে জনৈক সুমন চন্দ্র দাস অত্র থানাধীন নাড়িন্দা রোড ডাচ বাংলা বুথের সামনে কান্নাকাটি করতে দেখে থানায় হস্তান্তর করে। থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে উপরোক্ত ঠিকানা প্রকাশ করে এবং ঢাকায় কোন নিকট আত্মীয় স্বজন না থাকায় নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- শ্যাম বর্ণ
উচ্চতাঃ ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ হলুদ রংয়ের সেলোয়ার কামিজ।

নাম-মমতাজ (৬০)
স্বামী-শাহআলম সিকদার
সাং-চকমা সিকদার অহনজী বাড়ী
থানা-উজির পুর
জেলা-ফিরোজপুর

উক্ত ভিকটিমকে জনৈক মোঃ আশিক (২৭), অত্র থানাধীন নিকুঞ্জ-০২, রোড নং-০১ বটতলায় উক্ত ভিকটিমের নাতনী ও ভিকটিম কান্নাকাটি করতে দেখে থানায় হস্তান্তর করে। থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক ঠিকানা বলতে না পারায় নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- শ্যাম বর্ণ
উচ্চতাঃ ৫ ফুট ১ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ লাল রংয়ের শাড়ী।

নাম-উর্মি (০৩)
পিতা- সুরুজ মিয়া
মাতা-রুমা
সাং-চকমা সিকদার অহঞ্জিবাড়ী
থানা-উজিরপুর
জেলা-বরিশাল/ পিরোজপুর

উক্ত ভিকটিমকে জনৈক মোঃ আশিক (২৭), খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-০২, রোড নং-০১ বটতলায় উক্ত ভিকটিমের দাদী ও ভিকটিম কান্নাকাটি করতে দেখে থানায় হস্তান্তর করে। থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক ঠিকানা বলতে না পারায় নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- শ্যাম বর্ণ
উচ্চতাঃ ৩ ফুর্ট
পোষাকের বিবরণঃ লাল গেঞ্জি সাদা প্যান্ট।

নাম-ফারিয়া (১১)
পিতা- ফিরোজ কবির
মাতা-নাজিনা বেগম
সাং-কিসমত গোপালপুর
থানা-গাইবান্ধা
জেলা-গাইবান্ধা

উক্ত ভিকটিমকে গত-১৬/১০/১৭ ইং তারিখ রাত অনুঃ ০৯.৩০ ঘটিকার সময় উদ্ধার করে সবুজবাগ থানায় নিয়ে আসে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় তার মা ও বাবা আলাদা আলাদা ভাবে বসবাস করে। উক্ত ভিকটিম তার মায়ের সাথে থাকবে না বলে জানায় এবং পিতার সাথে যোগাযোগ করা হইলে সে নিতে আসবে না বলে থানা পুলিশ ভিকটিমের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে নিরাপদ হেফাজতের জন্য অত্র সেন্টারে রেখে যায়।
তার গায়ের রং- উজ্জল শ্যামলা
উচ্চতাঃ ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি
পোষাকের বিবরণঃ কমলা ও কালো রং এর ফ্রক।

আরো খবর »