নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির মন্ত্রী চায় বিএনএফ

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা:  সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চেয়ে ওই সরকারে নবম সংসদের প্রতিনিধিত্ব হিসেবে টেকনোক্রেট কোটায় বিএনপির নেতাদের মন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার জন্য ইসিকে উদ্যোগ নেয়াসহ ৫ দফা প্রস্তাব করেছে দলটি।

মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে সংলাপ শেষে আগামী নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন দলটির প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে অন্য কমিশনাররা, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসির সঙ্গে সংলাপে বিএনএফ প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে ২৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন।

সংলাপ শেষে নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, নির্বাচনকালীন একটি সরকার থাকবে- সেটা হবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আলোকে। পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদ বহাল রেখে দশম সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নবম সংসদের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে এক-দশমাংশ টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারবেন। এ কোটায় নবম জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিএনপি থেকেও মন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, ওই সংসদে বিএনপি ছাড়াও এলডিপি ও বিজেপি ছিল। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে ওইসব দল থেকেও টেকনোক্রেট মন্ত্রী করতে পারেন। এ বিষয়ে বর্তমান সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপের প্রস্তাব করেছি। সিইসি আমাদের সেই উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেছেন।

বিএনএফ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বসার উদ্যোগ নিতে পারি। বলতে পারি, আসুন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে একত্রে বসি, একত্রে চা খাই।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না। ইসির অধীনে নির্বাচন হবে। তখনকার সময়ের সরকার নির্বাহী কাজে সহযোগিতা করবে। নির্বাচনে সব কাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা ঠিক হবে না।

দলটির ৫টি প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে- নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে সমঝোতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বাৎসরিক আর্থিক সহযোগিতা (থোক বরাদ্দ) দিতে কমিশনকে উদ্যোগ নিতে হবে, নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অভিন্ন পোস্টার, মঞ্চ ব্যবস্থা করা ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং ভোটার, প্রার্থী, প্রার্থীর প্রস্তাবক ও সমর্থক -সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »