শর্তহীনভাবে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিতে হবে : বিএইচপি

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারি। এ অধিকার কেউ খর্ব করতে পারেন না। নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পাঁচ বছর পর পর রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রদান, এ নিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সারা বছর চালু রাখতে হবে।

২১টি জেলায় এবং ১০০টি উপজেলা, পৌরসভা, থানা-মহানগরে কমিটি থাকতে হবে, এ ধরনের শর্ত কেন? এসব শর্তের কোনো প্রয়োজন নেই। কোন্ উদ্দেশ্যে এসব শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে? শর্তহীনভাবে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিতে হবে।

গতকাল বিকালে রাজধানীর পল্টনস্থ বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসাসিয়েশনে ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন সংশোধন আন্দোলন’ এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মানবতাবাদী দল (বিএইচপি)’র মহাসচিব ড. সুফি সাগর সামস্ এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের নির্বাচনী তফসীল ঘোষণার তিন মাস পূর্বে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ সময়ের মধ্যে যদি কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়, তাহলে ওই নিবন্ধিত ওই দলটি কখন তাদের প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়া করবে, কখন প্রার্থীদের বাছাইকার্য শেষ করবে, কখন পোস্টার ছাপাবে আর কখনই বা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা চালাবে? সুতরাং রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সারা বছর চালু রাখতে হবে।

নির্বাচনে পুরনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছে, একই সুযোগ-সুবিধা নতুন রাজনৈতিক দলগুলো যাতে ভোগ করতে পারে, সে ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান বিএইচপি মহাসচিব ড. সামস্।

তিনি প্রশ্ন করে বলেন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রদানে এত প্রতিবন্ধকতা এবং এত শর্ত কেন? জনগণ কোন্ দলকে ভোট দিবে কি দিবে না, সেটা জনগণের বিষয়। যে দলকে জনগণ ভোট দিবে না, সে দলটি তখন চিন্তা-ভাবনা করার সুযোগ পাবে যে, কেন জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যাণ করেছে। এ চিন্তা-ভাবনা থেকে সে দলটি নতুন করে তার কর্মসুচি প্রনয়ণ করে জনগণের কাছে যেতে পারবে। কিন্তু যদি নিবন্ধন না পাওয়ার কারণে নির্বাচন করতে না পারেন, তাহলে জনগণ তাদেরকেচায় কি চায় না, সেটা যাচাই হবে কীভাবে? সুতরাং শর্তহীনভাবে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিয়ে তাদেরকে নির্বাচন করার অধিকার দিতে হবে।

রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন সংশোধন আন্দোলনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, এড. কাজী রেজাউল করিম, বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত গণতান্ত্রিক দলের আহ্বায়ক গাজী মোস্তাফিজুর রহমানসহ ২১টি নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »