ভাঙ্গল সাধুর হাট

Feature Image

কুষ্টিয়া হুমায়ুন কবির:  বিশ্বকে নাড়াদিয়ে ৩দিনের ভাবের আদান প্রদান করে ভাঙ্গল সাধুর হাট।
বাউল সম্রাট লালন ফকিরের ১২৭তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে দেশ বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থী ভক্তকুল এসে ভীড় জমিয়ে ছিলেন লালনের আস্তানায়।

 

তিন দিনের মিলন মেলা শেষে গতকাল বুধবার সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হয়েছে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও প্রচুর লোক সমাগম হয়েছিলো, সেই সাথে ছিলো কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের কড়া নজরদারী। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান নিজেই স্পিড বোট নিয়ে মাজার সংলগ্ন কালি নদীতে টহল দিয়েছেন সার্বক্ষণীক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।

 

এবার একটু ভিন্ন চিত্র ছিলো যত্রতত্র গাজা সেবনের ব্যাপারটি মুল মঞ্চের আশেপাশে ছিলো গাজা সেবনের নিষেধাজ্ঞা। তবে যারা আসল সাধু তাদের গাজা সেবন মূল উদ্দেশ্য নয় তারা আত্মার সাথে আত্মার পরম পরশের উদ্দেশ্যে বা গুরু শিষ্যের আত্মিক মিলনের জন্যই ব্যাকুল হয়ে থাকেন, যে ব্যাকুলতা সাধু গুরুদের টেনে আনে লালনের সাধু সঙ্গে, জাত পাত ভুলে যারা আত্ম পরিচয় খুজে ফেরে লালনের ধামে তাই বিদায় বেলায় অনেকেই গুরুর পরম আর্শিবাদ নিয়ে এগিয়ে চলে নিজ গুন বিচারের পথে।

আরো খবর »