রাজশাহীতে যত্রতত্র দোকানে বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ বিক্রয়- প্রশাসনের ভুক্ষেপ নেই

Feature Image

রাজশাহী থেকে ওবায়দুল ইসলাম রবিঃ  রাজশাহী নয়টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অবাধে বিক্রি হচ্ছে ঔষুধ। ঔষধ স্বাস্থের জন্য জরুরী উপাদান হলেও অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে বিক্রি হচ্ছে যত্রতত্র। মুদি দোকান সহ বিভিন্ন দোকান জরুরী ঔষধ বিক্রয় হলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে নেই।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, রাজশাহী মহানগর ও নয়টি উপজেলার প্রত্যেক এলাকার গ্রামের দোকানগুলোতে দরকারি ঔষুধ বিক্রয় হয়। চারঘাট, বাঘা, পবা, পুঠিয়া, দূর্গাপুর, তানোর, বাঘমাড়া ও গোদাগাড়ী প্রত্যন্ত অঞ্চলের দোকাল গুলোতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সেবনে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে পড়ছে। দীর্ঘদিন হতে লোকালয়ে ঔষুধ বিক্রি হয়ে আসলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি যেসব ঔষুধ বিক্রি হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, নাপা, নাপা এক্সটা, ওমিপ্রাজল-২০, এ্যানটাসিট, টোমেপ, সেকলো, নিউ ট্যাক, পিরিটন, প্যারাসিট্যামল, স্যালাইন, তুসকাসহ আরো কয়েক ধরণের ঔষুধ। শুধু তাই নয়, এসব দোকানে যৌণ উত্তেজকসহ বিভিন্ন ঔষধও বিক্রয় হচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃক্ষ বলছেন, মুদি সহ অন্য দোকানে ঔষুধ বিক্রয় করা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। এটা অন্যায় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মুদি দোকানে ঔষুধ বিক্রি করার কোন অনুমতি নেই। তবে নির্দিষ্ট কোন অভিযোগ না থাকায় এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে রাজশাহীর সিভিল সার্জন সঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, মুদি দোকান বা অন্যান্য দোকানে ঔষুধ বিক্রয় করা যাবে না। ঔষুধ প্রশাসনের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মীর্জা আনোয়ারুল বাসেদ বলেন, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসন ছাড়া কিছু ঔষুধ বিক্রয় হয়। অনেক স্থানে ফার্মেসী না থাকার কারণে দোকানে জরুরী কিছু ওষুধ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, দোকানে ওষুধ বিক্রয় করার কোন নিয়ম নই। তদন্ত সাপেক্ষে নির্দিষ্ট কোন দোকানে ঔষুধ বিক্রয়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো খবর »