ঈশ্বরদীতে ভেড়ামারার কৃষকদের মাঝে শিক্ষানীয় প্রযুক্তি হস্তান্তর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

Feature Image

ঈশ্বরদী (পাবনা) থেকে সেলিম আহমেদঃ  ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি গ্রামে বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজের খামারে গতকাল বৃহস্প্রতিবার দিন ব্যাপী ভেড়ামারার কৃষকদের মাঝে শিক্ষানীয় প্রযুক্তি হস্তান্তর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষকদের মাঝে শিক্ষানীয় প্রযুক্তি হস্তান্তর মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুল মজিদ।

বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সাধারন সম্পাদক কিতাব মন্ডল, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক বেলি বেগম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আবদুল বারী ওরফে কফি বারী, সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আবদুল হামিদ, এসএপিপিও আজগর আলী, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুল আলম, আরিফুজ্জামান, সদিরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও তোফাজ্জল হোসেন। কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পোল্ট্রি চাষি রোকেয়া আক্তার, মৎস্য চাষি আবু তালেব জোয়াদ্দার, মৎস্য চাষি কবির মালিথা, মাসুমা আক্তার ও মোছাঃ সুইটি খাতুন। ভেড়ামারার ৩০ জন কৃষক/ কৃষাণী শিক্ষানীয় প্রযুক্তি হস্তান্তর মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, কৃষির উপর এদেশ নির্ভরশীল। একমাত্র কৃষিই দেশকে এগিয়ে নিয়েছে। আধুনিক কৃষির কারণে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। দেশে নতুন নতুন ফসলের চাষ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। এর পরেও এদেশের কৃষকেরা আজ অবহেলিত। রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে মাঠে ফসল ফলানোর পর বাজারে তার সঠিক মূল্য পাওয়া যায়না। এতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফসলের সঠিক মূল্য না পাওয়াতে ইতোমধ্যে অনেক কৃষক পথে বসে গেছেন। তাদের খামার বন্ধ হয়ে গেছে।

বক্তারা আরও বলেন, ৩০ বছরের কৃষির প্রযুক্তি মাত্র ৩০ মিনিটে আপনাদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে, এতে কৃষক লাভবান হবেন। বাজারে মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ রাসায়নিক সার ও কীটনাষক অহরোহ বিক্রি হচ্ছে এ থেকে সকল কৃষককে সাবধান হতে হবে। কৃষির উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য না পাওয়াতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অনেক কৃষক তা পরিশোধ করতে পারছেন না। ব্যাংকের সুদ মওকুফ করে নতুন ভাবে ঋন দিয়ে খামার পরিচালনার জন্য সভা থেকে বক্তারা সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। এছাড়া কৃষি পণ্য সংরক্ষনের জন্য কৃষি হিমাগার ও কৃষি বীমার দাবি তোলেন।

 

আরো খবর »