টেকনাফে নৌকাডুবিতে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু

Feature Image

জেলা প্রতিনিধি, স্বাধীনবাংলা২৪.কম

কক্সবাজার: জেলার টেকনাফ বঙ্গোপসাগর উপকূলে রোহিঙ্গা বোঝাই পৃথক ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ ৬ জন মারা গেছে। নিখোঁজ রয়েছে বেশ কয়েকজন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ও সোমবার দিবাগত রাতে এসব নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. আমানুল্লাহ জানান, ব্র্যাকের কর্মীরা বেলা ১০টার দিকে নৌকাডুবিতে বিপন্ন ৫ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তম্মধ্যে ৩ জনই মৃত।

মৃতরা হলেন, মিয়ানমারের বুচিডং ইয়ংচং এলাকার মো. ইসলামের ছেলে এনামুল হাসান (৪), আলী জোহারের মেয়ে মিনারা বেগম (৫), আবুল হাশেমের স্ত্রী জুহুরা বেগম (৬০)। অপর দুইজনকে প্রাথমিক সেবা দিয়ে রেফার্ড করা হয়েছে। এরা হলেন, আহমদ নুরের ছেলে হামিদ নুর (১) ও আজিজুল হকের মেয়ে আজিজা বেগম (২)।

তিনি আরও জানান, আমার সঙ্গে সরকারি মেডিকেল টিমের ডা. ওসমান এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার (আওএম) মেডিকেল অফিসার ডা. নাইমাপ্রু মুমুর্ষ রোহিঙ্গাদের সেবা দিয়েছেন।

উদ্ধারকারীদের তথ্য মতে, ট্রলারে ২৬ জন রোহিঙ্গা ছিল। সোমবার রাত ১টার দিকে তারা মিয়ানমার থেকে রওয়ানা দিয়েছিল। জীবিত উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা দালাল বা ট্রলারের মালিক কে সে সম্পর্কে কিছুই জানেনা।

বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাও. আজিজ উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি বাহারছড়ার উপকূল দিয়ে অনুপ্রবেশকালে কোস্টগার্ড বাধা দেন। কোস্টগার্ডের ধাওয়া খেয়ে ট্রলারটি ইনানীর দিকে চলে যায়।

টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি মো. মাইন উদ্দিন খান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৩ রোহিঙ্গার লাশ টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রয়েছে।

অপরদিকে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার সময় কক্সবাজারের টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে রোহিঙ্গা ভর্তি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে নিখোঁজ রয়েছে আরও একাধিক রোহিঙ্গা।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »