বাগেরহাটে ২০ মণ ওজনের করাতি মাছ

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

বাগেরহাট: স্থানীয়দের কাছে এটি খটক মাছ। গবেষকেরা বলেন করাতি হাঙর। মুখটি করাতের মতো বলে এর নাম এই। ইংরেজি Saw Fish। বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি করাতি বা খটক মাছ ধরা পড়ে ২ নভেম্বর। শনিবার বাগেরহাটের শরণখোলা মৎস্য আড়তে খটক মাছটি কেটে এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।

এই খটক মাছ রান্না করে খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ ও যক্ষ্মা ভালো হয়—এমন বিশ্বাসের স্থানীয় লোকজনের। সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থান থেকে মাছ কিনতে শরণখোলা মৎস্য আড়তে ছুটে আসেন লোকজন। জেলেদের জালে ধরা পড়া  খটক মাছটির ওজন প্রায় ২০ মণ। লম্বায় প্রায় ২০ ফুট। তবে এ মাছ খেলে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধা দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময় হওয়ার বিষয়টিতে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন গবেষক ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

মাছটির বিক্রেতা ব্যবসায়ী কবির হোসেন আড়তদার বলেন, ‘ ২ নভেম্বর খুলনার জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি খটক মাছ ধরা পড়ে। ওই মাছ আমি দেড় লাখ টাকায় কিনে নিই। পরে আমি মাছটি শরণখোলায় নিয়ে এলে স্থানীয় লোকজন তা দেখতে ছুটে আসেন। মাছ শরণখোলা বাজারে আনা হয়েছে—এই সংবাদ মাইকিং করে স্থানীয়দের জানানো হয়।’

কবির হোসেন জানান, মাছটি কেটে বর্জ্য ফেলে দেওয়ার পর প্রায় ১৪ মণ মাছ পাওয়া গেছে। গতকাল বিকেল পর্যন্ত প্রায় ২২৫ কেজির মতো বিক্রি হয়ে গেছে। বাকি মাছ বিক্রির জন্য ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আজ রোববারের মধ্যে সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে বলে মনে করছেন কবির হোসেন। শরণখোলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এই মাছ কিনতে ক্রেতারা এসেছিলেন।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »