যুক্তরাষ্ট্র উ. কোরিয়ায় সঙ্গে যুদ্ধের রূপরেখা দিয়েছে

Feature Image

নিউজ ডেস্কঃ  পরমাণু ইস্যুতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এশিয়া সফরে ফের পরমাণু পরীক্ষা চালাতে পারেন কিম জং উন।
যে কোনও সময় যুদ্ধ বাধার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আর তাই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের রূপরেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন।

বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে পিয়ংইয়ংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী পাঠানোর প্রয়োজন হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর মনে করে, সন্দেহাতীতভাবে উত্তর কোরিয়ার সব পরমাণু অস্ত্রক্ষেত্রের অবস্থান নির্ণয় ও সেগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেদেশে স্থলবাহিনীর মাধ্যমে আগ্রাসন চালাতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। তবে যুদ্ধ শুরু হলে উত্তর কোরিয়া পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে জৈবিক ও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের দুই সদস্যের অনুরোধে এক চিঠিতে যুদ্ধের সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরেছে পেন্টাগন।

চিঠিতে পেন্টাগন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের জানায়, যুদ্ধ বাধলে উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্র দিয়ে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে এবং তাদের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রের কী ধরনের সক্ষমতা আছে, তা খোলামেলা আলোচনার বিষয় নয়। এর জন্য আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে গোপনে বিস্তারিত আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছে পেন্টাগন।

তারা আরও জানান, রাসায়নিক অস্ত্র তৈরিতে উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এছাড়া নার্ভ, ব্লিস্টার, ব্লাড ও চকিং এজেন্ট উৎপাদনেরও অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।

কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের দুই আইনপ্রণেতার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পেন্টাগনের উপপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মাইকেল জে ডুমন্ড এক চিঠিতে সম্ভাব্য যুদ্ধের চিত্র তুলে ধরেন। ক্যালিফোর্নিয়া ও আরিজোনার দুই ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা টেড লিউ ও রুবেন গ্যালিগো পেন্টাগনের কাছে এ অনুরোধ জানান।

তারা জানতে চান, ‘উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে বেসামরিক লোকজনসহ যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মিত্র শক্তি দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও গুয়ামে সামরিক বাহিনীতে ‘সম্ভাব্য কী পরিমাণ প্রাণহানি হতে পারে। ’

আরো খবর »