ভিক্ষুকমুক্ত খোকসা কার্যক্রম ভেস্তেগেছে

Feature Image

কুষ্টিয়া: খুলনা বিভাগের সাড়াজাগানো কার্যক্রমের ভিক্ষুকমুক্ত খোকসা কার্যক্রম ভেস্তেগেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে তদানিন্তন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ এর নেতৃত্বে খুলনা বিভাগ থেকে ভিক্ষুক নির্মুল ও পুনর্বাসন কল্পে বিশেষ তহবীলের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভিক্ষুক ডাটাবেজ তৈরী করে পুনর্বাসন কল্পে ভিক্ষুক নির্মুল করা হয়।

 

এরই মাঝে বেশ কিছু ভিক্ষুকদেরকে কর্মসংস্থান কল্পে উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ তহবিল ও সরকারী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় কর্মোঠো ও কর্মযোগ্য পুনর্বাসিত বিক্ষুকদের বিভিন্ন আর্থিক প্রনোদনায় পুনর্বাসন করা হয়।

পেশাদারিত্ব দীর্ঘদিনের নির্লজ্জতম পেশা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে ফিরে আসতে পারে নাই অনেকেই। সরকারী সকল সুযোগ পেলেও আত্মতৃপ্তি ও নিত্য দিনের নগদ চাহিদা পুরণ না হওয়ায় সপ্তাহের বিশেষ দিনগুলোতে এলাকাভেদে দল বেধে অথবা এককভাবে ভিক্ষাবৃত্তি পেশায় আবার পুনঃ নিয়োজিত হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছায় সরকারের একজন কর্মকর্তা বললেন খোকসায় পুনর্বাসিত ভিক্ষুকরা ঈদপার্বনের পর নতুন কোন প্রনোদনা বা অনুদানের টাকা না পাওয়ায় এমনকি সরকারের নিরাপত্তা বেষ্টনির জিআর, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, বয়স্কভাতা বা বিধবা ভাতার মত সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন এসকল অসহায় মানুষগুলো ইচ্ছায় অনিচ্ছায় ভিক্ষাবৃত্তি করছে। তিনি একথাও বলেন যে, পেশাদারিত্ব ভিক্ষাবৃত্তির বেশ কিছু ভিক্ষুক আছে, যারা অনেক কিছু সহায় সম্পত্তি থাকলেও তারা ভিক্ষাবৃত্তি করে। তবে সরকারের সুষ্ঠ তদারকি ও মনিটরিং থাকলে উপজেলায় ভিক্ষুক নির্মুল করা সম্ভব।

উল্লেখ্য গত সপ্তাহে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় পুনর্বাসিত ভিক্ষুকদের মধ্যে ৩৮জন ভিক্ষুককে বড় বাজার থেকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন আশ্রয়নে তাদেরকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এবিষয়ে সার্বিক তত্বাবধান করেছেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইবাদত হোসেন।

খোকসা উপজেলাবাসীও বিশ্বাস করে ঘৃনতম পেশা ভিক্ষাবৃত্তি পরিহার করে আমাদেরই আপনজন ভিক্ষকগন সাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। আর এবিষয়ে সরকারী নীতি নির্ধারনী আগেরমত তদারকি করে খোকসা থেকে ভিক্ষুক নির্মুল করবে এমনাটাই উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা।
ছবিতে উপজেলার পৌর বাজারের মধ্যে ভিক্ষার টাকা এভাবেই ভাগ করা হচ্ছে।

আরো খবর »