ফের আলোচিত ট্রাম্পকন্যা ইভাংকা

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়ে হওয়ার সুবাদে সব সময়ই আলোচনায় রয়েছেন ইভাংকা ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় থেকেই তিনি আলোচনায় উঠে এসেছেন।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল ট্রাম্প প্রশাসনে বড় প্রভাব থাকবে ইভাংকার। সেটাই হয়েছে। এখনতো তিনি তার বাবার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প এবারই প্রথম এশিয়া সফর করছেন। উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই প্রায় এগার দিনের এ সফরে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ সফর করছেন তিনি।

বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে ট্রাম্পের সফরের আগেই টোকিওতে গিয়েছিলেন ইভাংকা। সেখানে তিনি ফ্যাশন, নারীর নিরাপত্তাসহ নানা ইস্যুতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন।

ওয়ার্ল্ড এসেম্বলি ফর উইমেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন ইভাংকা। মূলত তিনি জাপানে গিয়েছিলেন তার বাবার জাপান সফরের আগেই।

অনেকেই মনে করেন ট্রাম্পের একজন উপদেষ্টা হিসেবে সফরের প্রাক প্রস্তুতির বিষয়গুলো দেখভাল করতেই টোকিও গিয়েছেন ইভাংকা।

সেখানে একই সাথে আলাদা কিছু কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন তিনি। জাপানের বিভিন্ন শ্রেণীর নারীরা তাকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন কাছ থেকেই।

রেস্টুরেন্টের শেফ ও ম্যানেজার ইয়ুকি চিদুই নামের এক নারী বলেন, ইভাংকা ফ্যাশনের সঙ্গে রাজনীতির একটি ব্যালেন্স করতে পারেন। যদিও আমি সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানে, তারপরেও তার জায়গায় আমি নিজেকে দেখতে পাই। যেমন ধরুন এখানে কাজের সময় আমি সাদা অ্যাপ্রোন পরিনা বরং মেক আপ নেই। আমি সবসময় আমার সুশী বারকে ফ্যাশনেবল ও কাজের ক্ষেত্রে আনন্দের রাখতে চাই। এক্ষেত্রে ফ্যাশন ও কাজের মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ইভাংকা আমার জন্য রোল মডেল হতে পারেন।

লেখক ও অভিনেত্রী মারি ইয়ামামাতোর কাছে অবশ্য ইভাংকা কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত বৈশিষ্ট্যের। তিনি বলেন, ‘আমি তাকে ও তার পিতাকে ভালোভাবেই লক্ষ্য করেছি। একজন নারীকে রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বা উঁচু পদে দেখা সবসময়ই চমৎকার এবং তিনি কিভাবে সেখানে পৌঁছালেন সেটা একেবারেই গৌণ বিষয়। তিনি নির্বাচিত নন, এটাও কোন বিষয় না।

শিল্পী মিহি ব্যারন আর কিছুদিন পরেই সন্তান জন্ম দেয়ার প্রহর গুনছেন। তাই বলে বন্ধ নেই ছবি আঁকার কাজ। নিজের স্টুডিওতে কাজ করতে করতে বলছিলেন, ইভাংকা সম্পর্কে আগে তেমন একটা ধারণা তার ছিলনা।

তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে আমি ইভাংকার সম্পর্কে জেনেছি তার জাপানে আসার খবর শোনার পর। আমি শুনেছি পরিবারের নাম যশ ভালোভাবেই ব্যবহার করছেন তিনি। এরপরেও আমি তাকে শ্রদ্ধা করি কারণ তিনি নিজের একটা ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করেছেন এবং দিন দিন সেটি বাড়ছে।

জাপানের বিভিন্ন পেশায় থাকা এসব নারীরা মনে করেন সামনের দিন গুলোতে বিশ্ব জুড়ে নতুন প্রজন্ম সবকিছু নিয়ে নতুন নতুন ধারণা তৈরি করবে। সম্ভবত ইভাংকা ট্রাম্প সে ধারারই প্রতিনিধিত্ব করতে শুরু করেছেন এখনই।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »