জুমার নামাজের আগে যেসব সুন্নত আদায় করবেন

Feature Image

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে একমাত্র মনোনীত জীবন ব্যবস্থা হলো ইসলাম। আল্লাহ তায়ালা ইসলামের ধারক ও বাহক করে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সত্য ও মহাপবিত্র হেদায়েত গ্রন্থ আল-কুরআন দিয়ে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।

প্রিয়নবী আল্লাহর জমিনে তাঁর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে সফলতা লাভ করেছেন। অন্ধকার থেকে ইসলামে আলো দিয়ে সমাজকে আলোকিত করেছেন।

মানুষের জীবনের এমন কোন দিক নেই, যা তিনি অসম্পূর্ণ রেখে গেছেন। তাইতো আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন তথা জীবন ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণ করে দিলাম।’

এমনকি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নসিহত থেকে বাদ যায়নি মানুষের স্বভাবসিদ্ধ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল। যা মানুষকে প্রতি সপ্তাহে বা মাসে হলেও সম্পন্ন করতে হয়।

স্বাভাবিক জীবনের মানুষের স্বভাবসিদ্ধ কাজগুলোর বর্ণনা ওঠে এসেছে প্রিয়নবীর হাদিসে। যা জানা আবশ্যক এবং সঙ্গে পালন করা কর্তব্য। হাদিসে এসেছে-

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ১০টি কাজ স্বভাবগত সুন্নত কাজ যথা-

– মোচ বা গোঁফ কাটা
– (হাত ও পায়ের) নখ কাটা
– অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখা
– দাড়ি লম্বা করা
– (নিয়মিত) মেসওয়াক করা
– নাক (পানি দিয়ে) পরিষ্কার করা
– বগলের (নিচের) পশম উপড়ে ফেলা
– নাভির নিচের পশম কামানো
– পেশাবের পর পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা এবং শৌচকর্ম করা।
– মুসআব ইবনে শায়ার বলেন, আমি দশম কথাটি ভুলে গেছি সম্ভবত তা হলো কুলি করা। (নাসাঈ)

উল্লেখিত এই কাজগুলো মানুষের জন্য ফিতরাত বা স্বভাবগত। যা পূর্বে ইসলামের শরিয়তের অনন্য অংশ ছিল। সব নবী-রাসুলগণই এ স্বভাবগত বিষয়গুলোর শিক্ষা দিয়ে গেছেন।

আরো খবর »