কালকিনিতে গৃহবধুকে অপহরনের অভিযোগ: ২১ দিনেও হদিস মেলেনি

Feature Image

মাদারীপুর থেকে মোঃ ইকবাল হোসেন : মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া এলাকার পূর্ব চর কয়ারিয়া গ্রামে শিরিন বেগম(২৩) নামের একে গৃহবধুকে অপহরন করে গুম করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী সোহেল সরদার সহ ৭জনের বিরুদ্ধে। গত ২৪অক্টোবর বিকেলে এঘটনা ঘটার পর থেকে সে নিখোঁজ থাকলেও ২১দিনেও তার সন্ধান দিতে পারেনি কেউ। এনিয়ে সেই গৃহবধুর মা সেনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে জামাতা সোহেল সরদার সহ ৭জনকে আসামী করে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত মামলার তদন্তের ভার দেয় কালকিনি থানায়। আর কালকিনি থানার এসআই সঞ্জিব কুমার জোয়াতদার বিষটির তদন্ত করলেও এখনো মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়নি এবং সেই গৃহবধুকে উদ্ধারে কোন তৎপরতা দেখানো হয়নি। এতেকরে চরম হতাশ হয়ে এখন নিজের মেয়ের সন্ধান ও তাকে ফিরে পেতে পথে পথে ঘুরছে তার মা বাদী সেনোয়ারা বেগম।

জানাগেছে, কুমিল্লার মুরাদনগর থানার দক্ষিণ কলাকান্দি গ্রামের মরহুম মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে শিরিনের সাথে বিয়ে হয় কালকিনি উপজেলার পূর্ব চর কয়ারিয়া গ্রামের মঙ্গল সরদারের ছেলে সোহেল সরদারের। বিয়ের পর থেকে স্বামী স্ত্রীর কলোহ বাঁধলে এনিয়ে মামলা দায়ের করে কনে পক্ষ। আর মামলার সূরাহা করে সংসার করার আশ্বাসে নিজ গ্রাম পূর্ব চর কয়ারিয়া গ্রামে আনা হয় গৃহবধু শিরিনকে। কিন্তু পারিবারিক কলহের সূরাহা ও সংসার করার নামে গ্রামে এনে অপহরন করা হয় তাকে। আর সেই থেকে সে নিখোঁজ থাকায় তার মা সেনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে শিরিনের স্বামী সোহেল সরদার ও তার সহযোগি কালাই হাওলাদার, রাজিব মির্জা, খোকা সিকদার, সরোয়ার প্যাদা ও জসিম বয়াতিকে আসামী করে মাদারীপুর কোর্টে অপহরন মামলা দায়ের করে।

এব্যাপারে কালকিনি থানার এসআই সঞ্জিব কুমার জোয়াতদার বলেন ‘ এবিষয়ে তদন্তে গেলে কেউ বলে অপহরন হয়েছে আর কেউ বলে শিরিন নিজেই আত্মগোপনে রয়েছে। তবে থানায় এখনো মামলাটি রেকর্ড না হওয়ায় আসামীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

আরো খবর »