মানিকগঞ্জ-১ আসনে দুই দলে একাধিক প্রার্থীদের ব্যাপক গণসংযোগ

Feature Image

মানিকগঞ্জ থেকে জালাল উদ্দিন ভিকুঃ  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়) সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগ,বি.এন.পিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় সবুজ সংকেত পাওয়ার জন্য জোড় লবিং-তদবীরে ব্যস্ত সময় পার করছে ও দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে ।

আগামীতে ( ১৮৬)মানিকগঞ্জ-০১ সংসদীয় আসনে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মধ্যে। প্রধান দুই দলেই রয়েছে দলীয় কোন্দল গ্রæপিং সেই সাথে মনোনয়ন যুদ্ধে লড়বেন একাধিক প্রার্থী । বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগে বর্তমান সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় গ্রæপ ও আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব এস.এম জাহিদ গ্রæপের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে দুই মেরুতে অবস্থান নিয়ে পৃথক পৃথক সভা-সমাবেশ করছে।সংসদ সদস্য এ.এম নাঈমুর রহমান দূর্জয় ও আওয়ামীলীগ নেতা এস.এম জাহিদ গ্রæপের দলীয় কোন্দলে আওয়ামীলীগ হারাতে পারে মানিকগঞ্জ-১ আসন ।

ইতি মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দর্শনীয় স্থানে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রধান,স্থানীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার,ফেস্টুন,পোস্টার,তোরণ নির্মান করে নিজেদের জনগনের কাছে তুলে ধরার চেস্টায় ব্যাস্ত সময় পার করছে । সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক এবং দলীয় সমর্থন পেতে এখন থেকে উপর মহলে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে ।

আর ভোটারদের মধ্যে চলছে প্রার্থী বাছাইয়ের হিসাব নিকাশ। প্রধান দুই দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা বলেন মানিকগঞ্জ-১আসনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন । প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন যুদ্ধের সাথে নিজ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীনেতাদের মোকাবেলা করতে হবে।

ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় এ তিনটি উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ ১ আসন গঠিত। এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় । তিনি আগামী নির্বাচনেও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে এখন থেকেই দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। এছাড়া আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পেতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান সংসদ সদস্য এ.এম নাঈমুর রহমান দূর্জয় এর প্রতি আগে কিছু নেতা কর্মী নাখোশ থাকলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার ফলে দুরে সড়ে যাওয়া কিছু কিছু নেতাকর্মী আবার ফিরতে শুরু করেছে।

আওয়ামীলীগের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড;আব্দুস সালাম পিপি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব এস এম জাহিদ ,জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওযার্ডের কাউন্সিলর ও জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরি পরিষদের সদস্য সুভাষ চন্দ্র সরকার।

বর্তমান সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয় জানান- জেলা যুবউন্নয়ন কমপ্লেক্স,জাফরগঞ্জ নদী শাসন প্রকল্প, প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্ট,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন,রাস্তাঘাট,ব্রীজ কালভাট সহ অনেক উন্নয়ন মুলক কাজ আমার সময়ে হয়েছে। আরো অনেক উন্নয়ন মুলক কাজ কর্মপরিকল্পনা আছে সেকাজ গুলো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে ।

এছাড়া প্রতিনিয়ত বন্যার্তদের পাশে থেকে সরকারী পর্যাপ্ত পরিমানের ত্রাণ বিতরন করা করেছি । সরকারের পাশাপাশি প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সারা দিয়ে বসুন্ধরা গ্রæপ সহ দেশের বিত্তবানদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত পরিমানের ত্রাণ সামগ্রী এনে নদী ভাঙ্গন ও বানভাসি মানুষের মাঝে বিতরন করেছি । কাজের মুল্যায়ন করলে এবং মূলধারার রাজনৈতিক নেতা মনোনয়ন পেলে অবশ্যই আওয়ামীলীগ প্রার্থী জয়লাভ করবে। তিনি দর্শনীয় স্থানে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রধান,স্থানীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার,ফেস্টুন,পোস্টার,সাটিয়ে নিজেকে জনগনের কাছে তুলে ধরার চেস্টায় ব্যাস্ত সময় পার করছে । সেই সাথে ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম-গঞ্জে ব্যাপক গণসংযোগ করে যাচ্ছে ।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড;আব্দুস সালাম পিপি জানান- আমি ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি । বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে কোন দিন বির্চুত হইনি । আমি একবার আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিপুল ভোট পেয়েছিলাম । মানিকগঞ্জে দলকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে আমার মেধা শ্রম অর্থ দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি । আমার রাজনীতিক জীবনটা ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় কেটে গেছে । আগামীতে সৎ আদর্শবান ও তৃণমূলে নেতাকর্মীদের সাথে যার সম্পর্ক রয়েছেএবং প্রকৃত রাজনীতিবিদ কে মনোনয়ন দিলে আওয়ামীলীগ জয়লাভ করবে। এছাড়া দলের কর্মসূচি ছাড়াও দলের নেতা-কর্মীদের বিপদে আপদে বিভিন্ন সুখে দুখে পাশে থাকি । তিনি সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে দর্শনীয় স্থানে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রধান,স্থানীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার,ফেস্টুন,পোস্টার,সাটিয়ে নিজেকে জনগনের কাছে তুলে ধরার চেস্টায় ব্যাস্ত ব্যাপক গণসংযোগ করে যাচ্ছেন ।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব এস.এম জাহিদ জানান-বর্তমান সংসদ সদস্যের কর্মকান্ডে দলের নেতাকর্মী হতাশ এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে । আমি সুলতান-ছাহেরা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শীতের বস্ত্র,বন্যায় চাল-ডাল, ৩/৪ শতাধিক মসজিদ,মাদ্রাসা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,মন্দির রাস্তাঘাট,কবরস্থান,নদী ভাঙ্গন,অসখ্য অসচ্ছল গরীব মানুষের মাঝে ব্যক্তিগত ভাবে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করেছি । আগামীতে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় নির্বাচিত হলে দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয় উপজেলা ও চরাঞ্চলকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো । দর্শনীয় স্থানে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রধান,স্থানীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার,ফেস্টুন,পোস্টার,সাটিয়ে নিজেকে জনগনের কাছে তুলে ধরার চেস্টায় ব্যাস্ত । তিনি ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম-গঞ্জে ব্যাপক গণসংযোগ করে যাচ্ছে ।

মাকিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ.বি.এম আনোয়ারুল হক জানান-স্বাধীনতা পর দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয় ২৫ বছর বিএনপির সংসদ সদস্য ছিল । এলাকায় কোন উন্নয়ন করেনি । স্বাধীনতার ৪১ বছর পর ২০০৮ সালে বিএনপির মহাসচিবকে পরাজিত করে আমি একমাত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক,৭টি কলেজের একাডেমিক ভবন,থানা ভবন, ব্রীজ-কালভাট,রাস্তাঘাট নদী শাসনসহ পাঁচ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আগামীতে দল যদি আমাকে মনোনযন দেয় তাহলে সাধারন জনগন ও নেতাকর্মীরা পাশে থাকে আমি বিপুর ভোটে নির্বাচিত হবো ।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবীর, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ব্যারিষ্টার খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু , জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: তোজাম্মেল হক তোজা , বিএনপির প্রয়াত মহাসচিবের বড় ছেলে জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ডঃ খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু ।এছাড়া বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী বিশিষ্ট্য শিল্পপতি মুরহুম হারুন অর রশিদ খান মুন্নু মিয়ার মেয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা মনোনয়ন চাইতে পারেন ।

বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড: খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু জানান-তার বাবা বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সাথে দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুবাধে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। সেই সাথে তার বাবার দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক জীবনের গুনাবলী ও তার সময় এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় এলাকায় দলীয় কর্মসুচি নিয়মিত আশা যাওয়া ও ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে ।
অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবীর জানান-আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাগো দলের সদস্য,ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা কালীন সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক,স্চ্ছোসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক ,যুবদলে-সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য ছিলাম। বর্তমানে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন দিন দল থেকে অন্য কোথাও যাইনি । তিনি বলেন- দলের প্রতিকুল পরিস্থিতিতে নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম । এছাড়া আমার বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা রয়েছে তাই দল আমাকে মুল্যায়ন করবে ।তিনি ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের নিয়ে জোড়ে সোড়ে গনসংযোগে মাঠে নেমেছেন ।
এছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: তোজাম্মেল হক তোজা বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। মো: তোজাম্মেল হক তোজা বলেন-আমি আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি । আমি ছাত্র জীবন থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশকে বুকে ধারন করে রাজনীতির ময়দানে কাজ করছি । আমি মানিকগঞ্জ সরকারী দেবেন্দ্র কলেজের ছাত্র সংসদের জি.এস ছিলাম,জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি ছিলাম । বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আছি । তাই দুঃসময়ে যারা নেতাকর্মীদের পাশে ছিল এবং তৃণমূলে যাদের গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে দল তাদেরকেই মনোনয়ন দিবে। বিশেষ করে দৌলতপুর চরাঞ্চলে আমার বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে আমাকে মনোনয়ন দিলে বিজয় সুনিশ্চিত । ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় এলাকায় দলীয় কর্মসুচি এবং নিয়মিত আশা যাওয়া ও ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে ।
এদিকে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী বিশিষ্ট্য শিল্পপতি মুরহুম হারুন অর রশিদ খান মুন্নু মিয়ার মেয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা জানান- বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন মুখি দল। দলে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতা থাকতেই পারে। দুঃসময়ে যারা নেতাকর্মীদের পাশে ছিল এবং তৃণমূলে যাদের গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে দল তাদেরকেই মনোনয়ন দিবে। যদি সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় এবং ভোটাররা যদি ভোট দিতে পারে তাহলে তিনটি আসনেই আমরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে ।
জাতীয় পার্টি থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন।
সাবেক উপজেলা চেযারম্যান ও জাসদ নেতা আফজাল হোসেন খান জকি মহাজোট থেকে মনোনয়ন চাইবেন। অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে জামায়াত।একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী কোন প্রার্থীদের খবর পাওয়া যাইনি।
অভিজ্ঞ মহল মনে করেন চরাঞ্চলের উন্নয়নের ছোয়া বলতে যা বোঝায় তা লাগেনি প্রায় বেশির ভাগ এলাকাতেই। তার পরও নির্বাচন আসে-যায়। যারাই জনপ্রতিনিধি হয়ে চেয়ারে বসে তারা রীতি মতো বেমালুম ভুলে যান ভোটের আগে সাধারন মানুষের কাছে দেয়া প্রতিশ্রতির কথা গুলো। তাই আগামীতে যারা জনপ্রতিনিধি হবেন তারা জেন চরাঞ্চলের মানুষকে ভুলে না যাই ।

আরো খবর »