চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর সার্কেলকে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত

Feature Image

মানিকগঞ্জে স্বর্ণব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর সার্কেলকে
পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত

 

মানিকগঞ্জ থেকে জালাল উদ্দিন ভিকুঃ  মানিকগঞ্জ স্বর্ণ শিল্পী সমিতির কাছে ২ কোটি চাঁদা দাবীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদা মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল আব্দুল আওয়াল খানকে অবশেষে পুলিশের হেডকোয়ার্টারে সংযুক্তি করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান-বিপিএম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মানিকগঞ্জ স্বর্ণ শিল্পী সমিতির সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর জেলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আউয়াল ও এনএসআইয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ হোসেন মানিকগঞ্জ স্বর্ণশিল্পী সমিতির সাধারন সম্পাদক রঘুনাথ রায়কে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে নেন।

এর পর চোরাই ও ডাকাতির স্বর্ণ কেনাবেচাসহ অবৈধ ব্যবসা করার অভিযোগ এনে তাঁদেরকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। ঝামলো এড়ানোর জন্য তাঁদের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন ওই দুই কর্মকর্তা। পরের দিন আবারও ওই পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয় স্বর্ন শিল্পী সমিতির সভাপতি আতোয়ার রহমান তোতা ও সাধারন সম্পাদত রঘুনাথ রায়কে।

সেখানে তাঁদের কাছে একই অংকের টাকা দাবি করা হয়। পরে ওই দুই কর্মকর্তা চাঁদার পরিমান নামিয়ে ৭০ লাখ নির্ধারন করে দেন। স্বর্ণ শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে এনিয়ে সভা করে দোকান প্রতি দুই থেকে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা নির্ধারন করা হয়। বেশ কিছু দোকান থেতে টাকা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু গত ১৫ নভেম্বর শহরের নাগ জুয়েলার্সে সন্ধ্যা বেলা ডাকাতির ঘটনার পর বিক্ষুব্দ হয়ে উঠে স্বর্ন ব্যবসায়ীরা। এ্র পর প্রকাশ হয়ে পড়ে দুই কোটি টাকা চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি। এনিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় গত ১৮ নভেম্বর দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি সংবাদ প্রকাশ হয়। ২০ নভেম্বর মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে স্বর্ন ব্যবসায়ীদের সাথে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনের মত বিনিময় সভায় ওঠে আসে স্বর্ন ব্যবসায়ীদের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবির বিষয়টি।
পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, স্বণর্ ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আওয়ালকে পুলিশের হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আরো খবর »