নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার

Feature Image

নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার – মানিকগঞ্জে কর্মশালায়- খাদ্যমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার – মানিকগঞ্জে কর্মশালায়- খাদ্যমন্ত্রী

 

মানিকগঞ্জ থেকে জালল উদ্দিন ভিকু ঃ ২২ নভেম্বরখাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য প্রাপ্তি একজন নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার। নাগরিকের এই মৌলিক অধিকার প্রাপ্তি রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। দেশের মানুষকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার সক্ষম হয়েছে।  নাগরিকদের নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে খাদ্য নিরাপদ আইন ও নিরাপাদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।  বুধবার মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে জনসচেতনতা শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তক্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ নাঈমুর রহমান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান ও জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম মহীউদ্দিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম বলেন,  ‘আজকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনা করেছি। আগে খাদ্যে ভেজালরোধে খাদ্যমন্ত্রণালয় কিংবা সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংস্থা বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করেছে। তবে ২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। ২০১৫ সালে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করার পর সবাইকে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ১৮টি মন্ত্রণালয় এবং ৪৮০টি সংস্থা এক সঙ্গে কাজ করছে।

 

এখন নিরাপদ খাদ্য আইন কার্যকর করতে প্রতিটি জেলায় খাদ্য আদালত (ফুড কোর্ট) স্থাপিত হয়েছে। এসব আদালতে মামলা হচ্ছে এবং অপরাধীদের সাজাও হচ্ছে। উৎপাদন থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত একজন নাগরিককে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই খাদ্য আইন তৈরি, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন ও খাদ্য আদালত স্থাপন করা হয়েছে।’ এর আগে সকাল ১০ টার দিকে জেলা শহরের বিজয় মেলা মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে নিরাপদ খাদ্য আেইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে জনসচেতনতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

 

এর শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীসহ সুশীল সমাজের লোকজন অংশ নেন।

আরো খবর »