বিএনপি সাহায্য চাইলে ভেবে দেখব যুক্তফ্রন্ট

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করা ও নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত হয়েছে চার রাজনৈতিক দলের নতুন জোট যুক্তফ্রন্ট। এমনটি জানিয়েছেন জোটের নেতারা। তাঁরা বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বিএনপি বা অন্য কোনো গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গে কাজ করতে আপত্তি নেই যুক্তফ্রন্টের। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে তাঁরা বলেন, আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পরিবেশে।

বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্যের জোট যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে সম্প্রতি।

যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী জানান, নতুন এই জোটের দুয়ার সবার জন্য খোলা।  নির্বাচনকে টার্গেট করে জোট গঠন করা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি জানান,  অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ই জোটের লক্ষ্য।

অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘এক হলো, ভালো ব্যক্তি; দুই হলো, ভালো ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান; তিন হলো, সাংস্কৃতিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এদের সবাইকে নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। নির্বাচন তো প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়বেই, প্রসেসেই আছে, রাস্তায় আছে। গণতন্ত্রের মানেই তো নির্বাচন; নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে হবে।’

আসছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে এই মুহূর্তে বিবেচনায় নিচ্ছে না যুক্তফ্রন্ট। তবে দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপির সঙ্গে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেবেন বলে ইঙ্গিত দেন জোটের নেতারা।

অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী আরো বলেন, ‘বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে যখন অগণতান্ত্রিক আচরণ করা হলো, তখন আমি তাঁর পক্ষে অনেক সমর্থন দিয়েছি। অনেক সমর্থন দিয়েছি। এটাতে প্রমাণ করে যে, আমরা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি—এক। দুই হলো, এখন যদি বিএনপি আন্দোলন শুরু করে,  আমরা আমাদের আন্দোলন শুরু করি। আন্দোলনের মাঝে বিএনপি যদি আমাদের সাহায্য চায়। আমরা ভেবে দেখব, চিন্তা করে দেখব, নিশ্চয়ই।’

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন মানুষ তখনই বলবে, যখন বিএনপি অংশ নেবে। ওনারা আন্দোলনের কর্মসূচি সুনির্দিষ্টভাবে বলুক, লক্ষ্যগুলো বলুক। সেই লক্ষ্য যদি আমাদের সাথে মেলে, সেটা আমরা ভাবব।’

তাড়াহুড়ো করে জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে কি না জানতে চাইলে জোটের দুই নেতা বলেন, সাত বছর ধরে দলগতভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসভা করে জনগণের আস্থা অর্জন করা হয়েছে। জনগণের দাবি, তাদের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে ইতিবাচক রাজনীতির উদ্দেশ্যেই জোট গঠন করা হয়েছে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »