ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও তীব্র যানজট

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

নারায়ণগঞ্জ: বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে সোনারগাঁয়ের মেঘনা ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কারণে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন প্রকারের যানবাহন রাস্তায় আটকা পড়ে আছে।

ট্রাফিক পুলিশ জানায়, মহাসড়কের মদনপুর ও মেঘনা সেতু এলাকায় রাতে দুটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় এবং যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় এ যানজটের সূত্রপাত হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর ও মেঘনা সেতু এলাকায় থেকে শুরু হয় যানজট। এ যানজট ধীরে ধীরে পূর্বদিকে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া, মেঘনা ব্রিজ ও পশ্চিম দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এতে পূর্বাঞ্চলের ১৮টি জেলার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসসহ শত শত যানবাহন রাস্তায় আটক পড়ে। এতে যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকা পড়ে নানান।

রাতে যানজট নিরসনে অতিরিক্ত পুলিশ কাজ করলেও যানজট দূর করতে ব্যর্থ হয়। তবে বিভিন্ন গণপরিবহনের যাত্রীরা যানজট দীর্ঘায়িত হওয়ার পেছনে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের কর্তব্যে অবহেলাকে দায়ী করছেন। ভোরে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ কার্যকরী ব্যবস্থা না নেয়ায় এ যানজট মেঘনা ব্রিজের উভয় পার্শ্বে ও নারায়ণগঞ্জ অংশে ১৫ কিলোমিটার রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে।

শিমরাইলে কর্মরত ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, রাতে দুটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে এবং যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় এ যানজটের সূত্রপাত হয়। তাছাড়া যাত্রাবাড়ি থেকে মহাসড়কটি আটলেন কাঁচপুর ব্রিজ হয়ে উঠেছে দুই লেনে। তাই ব্রিজের উপর যানবাহন উঠতে গিয়ে যানজটের সূত্রপাত হয়। আবার মেঘনা ব্রিজের টোল আদায় করেছে ধীর গতিতে। তার উপর শুক্রবার সকাল থেকে যাত্রীরা ছুটি পেয়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে যানবাহনের চাপ আরও বেড়ে যায়। সব মিলের যানজট মেঘনা ঘাট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তবে থেমে থেমে যানবাহন চলেছে।

এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের করটিয়া থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ যানজট দেখা যায়। এতে চরম বিপাকে পড়েছে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »