মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে বাড়িতে জনস্রোত

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবারের মতো দেখতে বন্দরনগরীর ষোলশহরের চশমাহিলের বাড়িতে জনস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই প্রিয় নেতাকে দেখতে সেখানে ভিড় জমান চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। সেখানে অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। জুমার নামাজের পর জনতার ভিড় আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবার দেখতে তার বাসায় আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রামের সাংসদ আফসারুল আমীন, সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ ছালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিশিষ্টজনরা।

জানা গেছে, সর্বস্তরের মানুষের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য চশমাহিল থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কোতোয়ালির দারুল ফজল মার্কেটের দলীয় কার্যালয়ে।

সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর লালদিঘী ময়দানে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের এ সভাপতির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

পরে চশমাহিলে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা হোসেন আহমেদ চৌধুরীর কবরের পাশে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ দাফন করা হবে।

শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন।

গত ১১ নভেম্বর রাতে বুকে ব্যথা অনুভব করায় মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মেহেদিবাগ ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আইসিইউতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে একরাত রাখার পর ১২ নভেম্বর দুপুরে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৬ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সিঙ্গাপুরের অ্যাপোলো গি্লনিগ্যালস হসপিটালে মহিউদ্দিন চৌধুরীর এনজিওগ্রাম ও হার্টের দুটি ব্লকে রিং বসানো হয়।

১১ দিন চিকিৎসা শেষে ২৬ নভেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সিঙ্গাপুর ও ঢাকায় এক মাস চিকিৎসা শেষে ১২ ডিসেম্বর তিনি চট্টগ্রাম ফিরে আসেন।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

Loading...

আরো খবর »