কাজী শেলীকে সম্মাননা দিলো ইতিহাস এতিহ্য সংস্কৃতি পরিষদ

Feature Image

 

মমতাময়ী মা লেখক ও নাট্যজন কাজী শেলীকে সম্মাননা দিলো ইতিহাস এতিহ্য সংস্কৃতি পরিষদ প্রকৃত মানবতার মাকে চিনুন এবং জানুন । বিরল দৃষ্টান্তে এই মা আমাদের পড়শি।

কুমারখালী ইতিহাস ঐতিহ্য সংষ্কৃতি পরিষদ সন্ধ্যায় পাবরিক লাইব্রেরীর কাজী আখতার হোসেন গবেষণা সেন্টারে পরিষদের সভাপতি এবিএম কাইসার রেজা পাসার সভাপতিত্বে বীরমুক্তিযোদ্ধা মসলেম উদ্দিনের পুত্র সাজ্জাদ আলমের পত্নী বিরল সমাজকর্মী লেখক ও নাট্যজন কাজী শেলীকে সম্মাননা দিলো। অনুষ্ঠানের শুরুতে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পরিষদের সহসভাপতি দীপু মালিক।

 

পরিষদের সম্পাদক লিটন আব্বাস স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন লেখক, গবেষক সোহেল আমিন বাবু, কুমারখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. রফিক, ভাংলাদেশ ভারত সম্প্রীতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু নিতাই কুন্ডু, পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হক বাবু, কুমারখালী শিল্পকলা একাডেমির নাট্যসংঘঠক আলামিন, সাজ্জাদ আলম প্রমুখ। এরপর তাকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথি বৃন্দ। সম্মানিত অতিথি কাজী শেলী তার বক্তব্যের শুরুতে ১৫৪ জন পিতৃমাতৃ পরিচয়হীণ শিশুদের মা হিসেবে জন্ম নিবন্ধনে তার নামও পিতার নাম হিসেবে তার স্বামী সাজ্জাদ আলমের নাম দিয়ে তাদের লেখাপড়া সহ সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন যা বাঙলাদেশ বিরল দৃষ্টান্ত।

 

সেইসব সন্তানদের অনেকেই আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। অনেক মেয়ের বিয়ে দিযেছেন যারা সংষারে সুখে আছেন। এইসবক দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নিরবে নির্ভতে কাজ করে যাওয়া কাজী শেলী দীর্ঘ একুশ বছর ধরে কাজ গেছেন। আজ ১৫৪ জন এতিম শিশুরা লেখাপাড়া শিকেছে মানুস হয়েছে এবং তারা সকলেই তাকে মা হিসেবে মানে এবং জানেন। এ এক অনন্য নজির বাংলাদেশে। তিনিই প্রকৃত মানবতার মা। এই মাকে স্যালুট।

আরো খবর »