রংপুর সিটি নির্বাচনে পাঁচ ফ্যাক্টর

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

রংপুর: আগামী ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল সবশেষ প্রচারণা। শেষ মুহূর্ত ছিল প্রার্থীদের তোড়জোড়। এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী।

এদের মধ্যে তিন হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান ও ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী কাওছার জামান।

এছাড়া মই প্রতীকে সিপিবি-বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, হাতপাখা নিয়ে এটিএম গোলাম মোস্তফা, আম প্রতীকে সেলিম আখতার ও হাতি প্রতীকে হোসেন মকবুল শাহরিয়ারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হবে ভোট গ্রহণ। কিন্তু তার আগেই চলছে ভোটের চুলচেরা হিসেব। এখন প্রার্থীদের সময় কাটছে অপেক্ষার প্রহর গুনে।

প্রথমবারের মতো রংপুরে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় অন্যরকম আমেজ বিরাজ করছে। এই সিটিতে আবারও জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা চান এরশাদের দুর্গের দখল নিতে।

তবে ভোটাররা মনে করছেন এই সিটিতে বিএনপির প্রার্থী অপেক্ষাকৃত দুর্বল। আর বিশ্লেষকরা বলছেন নির্বাচনে ৫টি ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ।

এবার নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনে সুযোগ পাচ্ছেন ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪২১ জন ভোটার। কিন্তু নির্বাচনে জিততে হলে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি ফ্যাক্টর হলো নারী ও তরুণ ভোটার, হিন্দু ভোট, হেফাজত-জামায়াতের ভোট, অবাঙালি ভোট এবং এলিট ভোট।

জানা গেছে, নগরীর মোট ভোটারের সিংহ ভাগই নারী। ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬২ নারী ভোটার এবং নতুন ৩৭ হাজার ভোটারসহ ৫০ হাজার তরুণ ভোটারদের ভোটই ভূমিকা রাখবে নির্বাচনে জয় পেতে। এছাড়া আছে ৬০ হাজার হিন্দু ভোট। তাদের বেশির ভাগই নৌকা সমর্থক। এসব ভোটের অনেকেই এবার ভোট দিতে পারেন লাঙল প্রতীকে।

এদিকে নির্বাচনে গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম ও জামায়াতের কর্মীরা। তাদের প্রায় ২০ হাজার ভোট রয়েছে। তাদের ভোটগুলো বিএনপিতে পড়ার সম্ভাবনা আছে।

অবাঙালি ভোট আছে প্রায় ১৫ হাজার। এই ভোট সুনির্দিষ্ট কেই পাবে না বরং সবার ভাগেই যাবে। অপরদিকে মোট ভোটের ১০ ভাগ এলিট ভোট। নগরীর এই ভোট আবেগে নয় বরং অনেকটা নির্ধারিত হয় প্রার্থীর যোগ্যতার ওপরেই।

এবারের নির্বাচনে এই পাঁচ ফ্যাক্টরের ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন সেই প্রার্থীর ভোটের পাল্লা ভারী থাকবে। তবে ভোটের পর শেষ হাসি কে হাসবে সেটা জানা যাবে বৃহস্পতিবারেই।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »