শাফিনের দাবির জবাব দিল মাইলস

Feature Image

গায়ক ও সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ এবং দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে গান করে আসা জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ বেড়েই চলেছে।

নিজেকে ‘মাইলস’র উদ্যোক্তা দাবি করে অন্য সদস্যদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান মাইলস ব্যান্ডের ভোকাল ও বেজ গিটারিস্ট শাফিন আহমেদ। এতে অনুমতি ছাড়া ‘মাইলস’ নামটি ব্যবহার না করার জন্য বলা হয়।

তারপর সংবাদ সম্মেলন করে শাফিন জানান, মাইলস এখন লিমিটেড কোম্পানি। ইচ্ছা করলেই কেউ নামটি ব্যবহার করতে পারবেন না। মাইলস প্রসঙ্গে নিজের কিছু ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন।

এবার শাফিনের কথার জবাব দিয়েছেন মাইলসের অন্য সদস্যরা। মাইলসের ফেসবুক পেজে পাঁচটি জবাব লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। পরে হামিন আহমেদের সঙ্গে কথা হলে তিনিও এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এক. মাইলস কখনোই ‘মাইলস ব্যান্ড লি.’ নয়। ব্যান্ডটির ৩৮ বছরের ইতিহাস আছে। দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে নামটি সমানভাবে পরিচিত। ‘মাইলস ব্যান্ড লি.’ বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হয়েছে মাত্র এক মাস আগে। ঘোষণার পূর্বে এ নামটি কেউ শোনেনি।

দুই. ১৯৯৩ সালে হামিন আহমেদের নামে নিবন্ধিত হয় মাইলস। আর ‘মাইলস ব্যান্ড লি.’ নিবন্ধিত হয়েছে মাত্র এক মাস আগে। এটা প্রতারণামূলক এবং সুযোগসন্ধানী দাবি।

তিন. শাফিন আহমেদ মাইলসের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নন। ব্যান্ডের তৃতীয় লাইন আপে হামিন আহমেদের সুপারিশে তাকে ব্যান্ডে নেওয়া হয়। মাইলস গড়ে উঠেছে ফরিদ রশিদের হাতে। প্রথম লাইন আপের সদস্যরা হলেন ফরিদ, কামাল, ল্যারি, মুসা, ইশতিয়াক, রবিন ও হ্যাপি। দ্বিতীয় লাইন আপে ফরিদ, কামাল, মুসা, ইশতিয়াক, রবিন, হ্যাপি ও হামিন। তৃতীয় লাইন আপে যোগ দেন শাফিন। তারপর আসেন মানাম। শাফিন লন্ডনে থাকার সময়ও মাইলস পুরোদমে কাজ করেছে। এই পাঁচ বছর অন্তত ১০০টি একক শো করেছে। শাফিন লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর হামিন ও মানামই তাকে নতুনভাবে ব্যান্ডে যোগদান করান।

চার. ‘অধিকাংশ গান আমার’—শাফিনের এই কথাটি পুরোপুরি মিথ্যা। মাইলসের হয়ে মাত্র ৩০টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন শাফিন।

পাঁচ. ‘চাঁদ-তারা’, ‘ধিকিধিকি’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘পিয়াসি মন’, ‘ভুলবো না তোমাকে’সহ মাইলসের অনেক জনপ্রিয় গানের সুর-সংগীত মানাম আহমেদের। এই গানগুলো গেয়েই শাফিন আহমেদ আজকের অবস্থানে এসেছেন।

আরো খবর »