দেশের প্রথম ছয় লেনের উড়ালসেতু

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ফেনী: ফেনী শহরের মহিপালে দেশের প্রথম ও একমাত্র ছয় লেনের ফ্লাইওভার উদ্বোধন হবে আজ বৃহস্পতিবার।

দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন।

বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এই ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই সম্পন্ন হয়েছে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এ ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন।

ভিডিও কনফারেন্সের সময় সেতুমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সাংসদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজনও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবনে ফলক উন্মোচনের সময় মহিপালে উড়াল সেতুর এক প্রান্তে চাড়িপুর কোব্বাদ আহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও ফলক উন্মোচন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ফ্লাইওভারের মূল দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২ মিটার, সার্ভিস রোডের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৩৭০ মিটার, সার্ভিস রোডের প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার, সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৬০ মিটার, ১১টি স্প্যান, ফুটপাথের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২১০ মিটার, পিসি গার্ডার ১৩২টি।

ওবায়দুল কাদের জানান, মহিপাল ফ্লাইওভার ছয় লেনের হলেও সেতুর নিচের দুই পাশে আরও চারটি সার্ভিস লেন চালু থাকবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে ১০ লেন সেতুই হচ্ছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিভাগ ও মেসার্স আবদুল মোনেম লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ফেনী হয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, পার্বত্য জেলাসমূহ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট অঞ্চলে যাতায়াতকারী বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে, স্বস্তি পাবেন যাত্রীরাও।

ফেনী শহরের মহিপালে দেশের প্রথম ও একমাত্র ছয় লেনের ফ্লাইওভার উদ্বোধন হবে আজ বৃহস্পতিবার।

দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন।

বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এই ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই সম্পন্ন হয়েছে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এ ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন।

ভিডিও কনফারেন্সের সময় সেতুমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সাংসদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবনে ফলক উন্মোচনের সময় মহিপালে উড়ালসেতুর এক প্রান্তে চাড়িপুর কোব্বাদ আহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও ফলক উন্মোচন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ফ্লাইওভারের মূল দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২ মিটার, সার্ভিস রোডের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৩৭০ মিটার, সার্ভিস রোডের প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার, সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৬০ মিটার, ১১টি স্প্যান, ফুটপাথের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২১০ মিটার, পিসি গার্ডার ১৩২টি।

ওবায়দুল কাদের জানান, মহিপাল ফ্লাইওভার ছয় লেনের হলেও সেতুর নিচের দুই পাশে আরো চারটি সার্ভিস লেন চালু থাকবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে ১০ লেন সেতুই হচ্ছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিভাগ ও মেসার্স আবদুল মোনেম লিমিটড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে, ফেনী হয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, পার্বত্য জেলাসমূহ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট অঞ্চলে যাতায়াতকারী বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে, স্বস্তি পাবেন যাত্রীরাও।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »