বন্দুক দেখিয়ে জোর করে বিয়ে, সিঁদুর পরাতে গিয়ে কেঁদে ভাসালেন পাত্র

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

নিউজ ডেস্ক: এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের ঝাড়খন্ডের ২৯ বছর বয়সী যুবক বিনোদ কুমার। কিন্তু বিহারের ইসলামপুরে ওই বিয়ে বাড়িতে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে সেটা ভাবতেও পারেননি তিনি। ওই বাড়িতে যাওয়ার পরপরই বিনোদকে বন্দুক ঠেকিয়ে বসিয়ে দেওয়ায় হয় বিয়ের পিঁড়িতে।

জানা গেছে, গত ২ ডিসেম্বর একটি স্টিল প্ল্যান্টের জুনিয়র ম্যানেজার পদে যোগ দিতে পাটনায় যান বিনোদ। এরপর ৩ ডিসেম্বর ইসলামপুরে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যান তিনি। আর সেখানেই বন্দুক ঠেকিয়ে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় তার।

ইসলামপুরে পৌঁছলে প্রথমে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বিনোদ কুমারকে। এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে জোর করে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বিনোদকে। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান বিনোদ। কান্নাকাটি করতে থাকেন তিনি। কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি। এ সময় ‘বিয়ে দেওয়া হচ্ছে’, ‘ফাঁসি তো দেওয়া হচ্ছে না’ বলে তাকে শান্ত করারও চেষ্টা করা হয়। বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেওয়ার পর তার চোখের পানি মুছিয়ে দিতে দেখা যায় কনের বাড়ির লোকজনদের।

ওই বিয়ের ভিডিও প্রকাশের পরপরই ভাইরাল হয়ে যায়। জানা গেছে, বিহারের ইসলামপুরে জোর করে ওই বিয়ের রীতিকে ‘পাকাডুয়া বিয়ে’ বলা হয়। এদিকে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিনোদের ভাই সুরেন্দ্র কুমার। কিন্তু পুলিশ এ বিষয়ে তাদের কোনো সাহায্য করেনি বলে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: জিনিউজ।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »