শীতের তীব্রতা কমতে পারে বুধবার থেকে

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: শীতের কাঁপুনিতে কাবু হয়ে পড়েছে সারাদেশের মানুষ। গত কয়েকদিনের অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় ইতোমধ্যে সারাদেশে ৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। টানা শৈত্যপ্রবাহে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও কর্মজীবী মানুষেরা। সারাদেশের তাপমাত্রা আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করলেও কমছে না শীতের তীব্রতা। তীব্র শীতে মানুষের অবস্থা এখনো জবুথবু।

সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় সর্বনিম্ন ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল যশোরে সর্বনিম্ন ৭.২ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। আগামী বুধবারের পর তাপমাত্রা বাড়বে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এবারের শীত অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করায় দিনভর ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে দেশজুড়ে। এ কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা এটাকে প্রকৃতির স্বাভাবিক আচরণ বলছেন। কয়েক বছর পরপর আবহাওয়ার এমন আচরণ দেখতে পাওয়া যায়। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় বাংলাদেশের ওপর বেশি বিস্তৃত থাকায় এবার শীতের তীব্রতা একটু বেশি। তবে আগামী বুধবার নাগাদ দেশে শীতের তীব্রতা আর থাকবে না, তাপমাত্রা বেড়ে যাবে।

 

এদিকে সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে থাকায় দেশের অধিকাংশ জেলা কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের অবস্থা বেশি ভয়াবহ। সকালে দশ হাত দূরে কী আছে তাও দেখা যায় না। দেখা মিলছে না সূর্যের। দুপুরের দিকে সূর্যের অবস্থান কিছুটা দেখা গেলেও তার তীব্রতা খুব একটা উপভোগ করা যায় না।

তীব্র কুয়াশার কারণে দেশের অধিকাংশ মহাসড়কে গাড়িগুলোকে দিনের বেলায় আলো জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। হাড় কাঁপানো শীতের তীব্রতায় কাতর হয়ে পড়েছেন কর্মজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। টানা শৈত্যপ্রবাহে মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা ও কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। উত্তরের হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ার কারণে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »