ফিলিস্তিনের মেরুদণ্ড ভাঙছে যুক্তরাষ্ট্র

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  ফিলিস্তিনিদের সাহায্যে গঠিত জাতিসংঘের ত্রাণ তহবিলে (ইউএসআরডব্লিউএ) প্রতিশ্রুত আর্থিক সহায়তার পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাকি অর্থ দেয়া হবে কিনা তা ভবিষ্যতে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ বছর অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে সাড়ে ১২ কোটি ডলার দেয়ার কথা থাকলেও এখন তার অর্ধেকেরও বেশি পরিমাণ অর্থ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত ফিলিস্তিনের আর্থিক মেরুদণ্ড ভাঙতে যাচ্ছে বলে এর নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। খবর আলজাজিরার।

যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। মার্কিন এ সিদ্ধান্তের ফলে ফিলিস্তিনে চলমান ত্রাণ কার্যক্রম অর্থসংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন জাতিসংঘের কর্মকর্তারা। ফিলিস্তিনিদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ কার্যক্রমের প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থ আসে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে। এ বাজেটেই স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম সরবরাহ করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নয়ার্ট বলেন, কাউকে শাস্তি দেয়ার উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। বরং এ সংস্থায় যুক্তরাষ্ট্র কিছু সংস্কার দেখতে চায় বলেই এটি করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক কেনেথ রথ মঙ্গলবার এক টুইটার বার্তায় বলেন, ফিলিস্তিনি শিশুদের মানবিক মৌলিক অধিকারগুলোকে আটকে দিচ্ছে ওয়াশিংটন। নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের মহাসচিব জেন এগল্যান্ড মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অসহায় ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ধ্বংসাত্মক পরিণতি বয়ে আনবে। ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, লেবানন, জর্ডান ও সিরিয়ায় বহু ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিশু রয়েছে যারা মূলত তাদের শিক্ষার জন্য জাতিসংঘের এ তহবিলের ওপর নির্ভর করে থাকে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »