ফরিদপুরে ধ্বংসের মুখে কোটি কোটি টাকার রাস্তা ও ব্রীজ

Feature Image

জেলা প্রতিনিধি, স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ফরিদপুর থেকে হারুন-অর-রশীদ:  ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ ধ্বংস হতে থাকলেও নিরব ভূমিকায় প্রশাসন।

জানা যায়, উপজেলা সদরের মধ্য বিএস ডাঙ্গী গ্রামের বাইপাস সড়ঁকে এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার জন্য ২০০১ সালে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ব্রীজটি ছিল খুবই নিন্মমানের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েকমাস ধরে উপজেলার গোপালপুর ঘাট এক ইজারাদার তাঁর ব্যক্তিস্বার্থে পার্শ্ববর্তী এমপি ডাঙ্গী গ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ পদ্মার পাড়ে নৌপথে বিভিন্ন পণ্য বোঝাই বড় বড় কার্গোর মাল উঠা-নামানোর কাজ পরিচালনা করে আসছে।

এদিকে, প্রতিদিন সেই মালামাল আবার সড়ঁক পথে বড় বড় ট্রাক ও লড়ীতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে এমপি ডাঙ্গীর প্রধান সড়ঁক হয়ে মধ্যে বিএস ডাঙ্গীর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ দিয়ে ফরিদপুর, কানাইপুর ও বোয়ালমারীসহ আরো বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে প্রতিদিন সরু রাস্তা ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ দিয়ে ভারী ভারী যানবাহন চলাচলে রাস্তাসহ ব্রীজটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ধ্বংসের মুখে ধাপিত হচ্ছে। আর এগুলো হচ্ছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের নিরব ভূমিকা ও সঠিক তদারকির ব্যর্থতায়।

এব্যাপারে গত বুধবার উপজেলা প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ রাস্তা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ টন মালামাল বোঝাই যানবাহন চলার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। আর সেখানে প্রতিদিন ঐ রাস্তা ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি দিয়ে ১৮/২০ টন ভারী ভারী যান চলাচল করছে।

আর এভাবে চলতে থাকলে অল্পদিনের মধ্যেই রাস্তাসহ ঐ ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো জানান, আমি এব্যাপারে উক্ত ঘাট ইজারাদারকে কয়েকবার নোটিশ পাঠানোর পর সে আমাকে ঐ সরু রাস্তা ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ দিয়ে আর কোন যানবাহন চলবেনা বলে কথা দিয়ে থাকলেও সে এখন তার দেওয়া কোন কথা রাখছেনা। তিনি বলেন, আমি এব্যাপারে ইউএনও- স্যারকে, চরভদ্রাসন থানা ইনচার্জকেসহ আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি সর্ম্পকে অবহিত করেছি।

এদিকে, উপজেলার নবাগত ইউএনও কামরুন নাহারের বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। এছাড়া এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »